নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

পাঁচ বছর আগে সাইফুল ইসলাম স্বপন ছিলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির নেতা। তখন তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এমএসসি। এখন তিনি জাতীয় পার্টির নেতা। এখন প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষাই নেই। তিনি এখন ‘স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন’। এভাবে পাঁচ বছরে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমে গেছে তাঁর।
সাইফুল ইসলাম এখন জাতীয় পার্টির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মেয়রপ্রার্থী হয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। এই পার্টির দলীয় প্রতীক ‘আম’ নিয়ে তিনি ভোট পেয়েছিলেন ২০৭টি।
২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে তাঁর জমা দেওয়া হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, সেখানে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখা আছে ‘এমএসসি’। এবার সিটি নির্বাচনের হলফনামায় তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখা আছে ‘স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন’। ২০১৮ সালে তাঁর হাতে নগদ ১২ লাখ টাকা ছিল। এখন হাতে আছে ৩ লাখ টাকা। ২০১৮ সালে ব্যাংকে ছিল ৫৫ হাজার টাকা, এখন আছে ৫০ হাজার।
২০১৮ সালে তাঁর বাসায় ৫ লাখ টাকার আসবাবপত্র এবং ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছিল। এখন আসবাবপত্র আছে ৫০ হাজার টাকার। ইলেকট্রনিক সামগ্রী আছে ৩০ হাজার টাকার। ২০১৮ সালে তাঁর নামে কৃষিজমি ছিল সাত বিঘা। এ ছাড়া স্ত্রীর নামে তিন বিঘা এবং নির্ভরশীলদের নামে পাঁচ বিঘা কৃষিজমি ছিল। এবার শুধু সাইফুল ইসলামের নামে সাড়ে চার বিঘা কৃষি জমি এবং ১২ শতক অকৃষি জমি আছে। অন্য কারও নামে কোনো জমি দেখানো হয়নি। ২০১৮ সালে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল ৩ লাখ। এবার তা বেড়ে ৩ লাখ ৬০ হাজার হয়েছে।
পাঁচ বছরে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম স্বপন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ১৯৬৯ সালের ব্যাচের ছাত্র। সেখান থেকে এসএসসি পাস করেছি। কয়েক বছর আগে আমার মুক্তিযোদ্ধা সনদ ঠিক করার জন্য এসএসসি পাসের মূল সনদটাও একজনকে দিয়েছিলাম। সেটা নাকি হারিয়ে গেছে। আমাকে আর ফেরত দেয়নি। তাই এবারের হলফনামায় মনের দুঃখে “স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন’’ লিখেছি।’
২০১৮ সালের হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘এমএসসি’ লেখা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমএসসি তো থাকার কথা না। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি। এটাই থাকার কথা। আমি এসব নিয়ে আর ভাবছি না। বয়স হয়ে গেছে। তা-ও লোকজন ভোটে দাঁড় করিয়েছে।’
সাইফুল ইসলামের ভাষ্যমতে, ২০১৮ সালের হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘ভুল’ থাকলেও প্রার্থিতা বৈধ হয়েছিল তাঁর। এবার সিটি নির্বাচনের হলফনামায়ও তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা সঠিক নয়। তারপরও মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। দলীয় ‘লাঙল’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল সাইফুল ইসলামের। পরে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এখন তিনি জাতীয় পার্টির রাজশাহী মহানগর কমিটির আহ্বায়ক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির হাতেগোনা কয়েকজন নেতা-কর্মীকে নিয়ে তিনি লাঙল প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছেন।

পাঁচ বছর আগে সাইফুল ইসলাম স্বপন ছিলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির নেতা। তখন তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এমএসসি। এখন তিনি জাতীয় পার্টির নেতা। এখন প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শিক্ষাই নেই। তিনি এখন ‘স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন’। এভাবে পাঁচ বছরে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমে গেছে তাঁর।
সাইফুল ইসলাম এখন জাতীয় পার্টির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মেয়রপ্রার্থী হয়েছেন তিনি। এর আগে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। এই পার্টির দলীয় প্রতীক ‘আম’ নিয়ে তিনি ভোট পেয়েছিলেন ২০৭টি।
২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে তাঁর জমা দেওয়া হলফনামা ঘেঁটে দেখা গেছে, সেখানে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখা আছে ‘এমএসসি’। এবার সিটি নির্বাচনের হলফনামায় তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখা আছে ‘স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন’। ২০১৮ সালে তাঁর হাতে নগদ ১২ লাখ টাকা ছিল। এখন হাতে আছে ৩ লাখ টাকা। ২০১৮ সালে ব্যাংকে ছিল ৫৫ হাজার টাকা, এখন আছে ৫০ হাজার।
২০১৮ সালে তাঁর বাসায় ৫ লাখ টাকার আসবাবপত্র এবং ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছিল। এখন আসবাবপত্র আছে ৫০ হাজার টাকার। ইলেকট্রনিক সামগ্রী আছে ৩০ হাজার টাকার। ২০১৮ সালে তাঁর নামে কৃষিজমি ছিল সাত বিঘা। এ ছাড়া স্ত্রীর নামে তিন বিঘা এবং নির্ভরশীলদের নামে পাঁচ বিঘা কৃষিজমি ছিল। এবার শুধু সাইফুল ইসলামের নামে সাড়ে চার বিঘা কৃষি জমি এবং ১২ শতক অকৃষি জমি আছে। অন্য কারও নামে কোনো জমি দেখানো হয়নি। ২০১৮ সালে তাঁর বার্ষিক আয় ছিল ৩ লাখ। এবার তা বেড়ে ৩ লাখ ৬০ হাজার হয়েছে।
পাঁচ বছরে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম স্বপন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ১৯৬৯ সালের ব্যাচের ছাত্র। সেখান থেকে এসএসসি পাস করেছি। কয়েক বছর আগে আমার মুক্তিযোদ্ধা সনদ ঠিক করার জন্য এসএসসি পাসের মূল সনদটাও একজনকে দিয়েছিলাম। সেটা নাকি হারিয়ে গেছে। আমাকে আর ফেরত দেয়নি। তাই এবারের হলফনামায় মনের দুঃখে “স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন’’ লিখেছি।’
২০১৮ সালের হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘এমএসসি’ লেখা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমএসসি তো থাকার কথা না। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি। এটাই থাকার কথা। আমি এসব নিয়ে আর ভাবছি না। বয়স হয়ে গেছে। তা-ও লোকজন ভোটে দাঁড় করিয়েছে।’
সাইফুল ইসলামের ভাষ্যমতে, ২০১৮ সালের হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘ভুল’ থাকলেও প্রার্থিতা বৈধ হয়েছিল তাঁর। এবার সিটি নির্বাচনের হলফনামায়ও তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা সঠিক নয়। তারপরও মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। দলীয় ‘লাঙল’ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল সাইফুল ইসলামের। পরে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। এখন তিনি জাতীয় পার্টির রাজশাহী মহানগর কমিটির আহ্বায়ক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির হাতেগোনা কয়েকজন নেতা-কর্মীকে নিয়ে তিনি লাঙল প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে