জয়পুরহাট প্রতিনিধি

নিখোঁজের সাত দিন পর অবশেষে মিলল জয়পুরহাটের চার বছরের ছোট্ট রদিয়ার খোঁজ। তবে জীবিত নয়, তার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া গেছে। কালাই উপজেলার হিমাইল গ্রামের এক সেপটিক ট্যাংক থেকে গতকাল শুক্রবার রাতে রদিয়া আক্তার ওহির লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সৎমা সোনিয়া (২৫) রদিয়াকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে রদিয়ার লাশের খোঁজ পান তাঁরা।
পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রদিয়ার সৎমা সোনিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়। এ ছাড়া শিশুটির চাচা রনি ও সৎনানা জিয়া কসাইকেও থানায় আনা হয়। সোনিয়াকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ আরও জানায়, ২৪ মে দুপুরে নানাবাড়ি থেকে মাত্র এক-দুই মিনিটের দূরত্বে দাদা-দাদির বাড়িতে বেড়াতে যায় রদিয়া। সেখানেই সোনিয়া তাকে কৌশলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর বালিশচাপা দিয়ে তাকে হত্যা করেন। পরে লাশটি বাড়ির পায়খানার সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখেন। ওই সময় শিশুটির বাবা মাঠে ধান কাটছিলেন, আর দাদা-দাদি গিয়েছিলেন ঘাস আনতে।
রদিয়ার মা আর্জিনা (২৭) দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর বাড়ির কাছাকাছি নিজের বাবার বাড়িতে মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। প্রায় প্রতিদিনই রদিয়া হেঁটে যেত দাদা-দাদির বাড়িতে। রদিয়া হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক আর ক্ষোভে নেমে এসেছে নীরব বিষাদ। স্থানীয়রা বলছেন, এমন পাশবিক কাজ কীভাবে করা সম্ভব, তা-ও নিজের ঘরের শিশুর সঙ্গে?’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় শিশু রদিয়ার মা আর্জিনা বাদী হয়ে আজ শনিবার কালাই থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে।’

নিখোঁজের সাত দিন পর অবশেষে মিলল জয়পুরহাটের চার বছরের ছোট্ট রদিয়ার খোঁজ। তবে জীবিত নয়, তার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া গেছে। কালাই উপজেলার হিমাইল গ্রামের এক সেপটিক ট্যাংক থেকে গতকাল শুক্রবার রাতে রদিয়া আক্তার ওহির লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সৎমা সোনিয়া (২৫) রদিয়াকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে রদিয়ার লাশের খোঁজ পান তাঁরা।
পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রদিয়ার সৎমা সোনিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়। এ ছাড়া শিশুটির চাচা রনি ও সৎনানা জিয়া কসাইকেও থানায় আনা হয়। সোনিয়াকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ আরও জানায়, ২৪ মে দুপুরে নানাবাড়ি থেকে মাত্র এক-দুই মিনিটের দূরত্বে দাদা-দাদির বাড়িতে বেড়াতে যায় রদিয়া। সেখানেই সোনিয়া তাকে কৌশলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর বালিশচাপা দিয়ে তাকে হত্যা করেন। পরে লাশটি বাড়ির পায়খানার সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখেন। ওই সময় শিশুটির বাবা মাঠে ধান কাটছিলেন, আর দাদা-দাদি গিয়েছিলেন ঘাস আনতে।
রদিয়ার মা আর্জিনা (২৭) দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর বাড়ির কাছাকাছি নিজের বাবার বাড়িতে মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। প্রায় প্রতিদিনই রদিয়া হেঁটে যেত দাদা-দাদির বাড়িতে। রদিয়া হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক আর ক্ষোভে নেমে এসেছে নীরব বিষাদ। স্থানীয়রা বলছেন, এমন পাশবিক কাজ কীভাবে করা সম্ভব, তা-ও নিজের ঘরের শিশুর সঙ্গে?’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় শিশু রদিয়ার মা আর্জিনা বাদী হয়ে আজ শনিবার কালাই থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হবে।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৩ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
৮ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তাছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
২১ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৮ মিনিট আগে