নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘যাঁরা রাজনীতি করবেন, রাজনৈতিক মঞ্চ, নিয়মকানুন মেনে চলবেন। এর বাইরে যদি কিছু করেন, তাহলে তাঁদের আইনগতভাবে জবাব দেওয়া হবে। রাজনীতি করতে হলে রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনেই করতে হবে। এর বাইরে অন্য কিছু করার সুযোগ নেই। সেটা করলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিহত করবে।’
আজ বুধবার সকালে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় আনসার-ভিডিপি মডেল ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ভবনের উদ্বোধন করেন।
জামায়াত-শিবিরের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জামায়াত-শিবির বলে কোনো কথা নেই। যাঁরাই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন, তিনি যে-ই হোন, আমরা তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব এবং সেটা নিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সুন্দরভাবে বীরত্ব এবং বীরত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। তারা দেশকে ভালোবাসে এটা বারবার প্রমাণ করে যাচ্ছে।’
সীমান্ত হত্যা নিয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় তারাও অভিন্ন অভিমত দিয়েছে বর্ডার কিলিং বন্ধ করার ব্যাপারে। সীমান্তে নাশকতামূলক যে কর্মকাণ্ড হয়, তা তারা বন্ধ করবে। একই সঙ্গে তারা অবৈধ চলাচল বন্ধ করার ব্যাপারে আমাদের বলেছিল। আমরা তাদের বলেছিলাম, যে হাতিয়ারটা ব্যবহার করে, সেটা যেন এই ধরনের হাতিয়ার না হয়। সেটা তারা আমাদের ওয়াদা করেছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বিজিবি-বিএসএফ সব সময় একটা কথা হয়। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আমরা আমাদের অসন্তোষগুলো জানাই। তারাও তাদের সেগুলো জানায়। দুই দেশের সম্পর্ক সব সময় ভালো।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলম, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতা, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘যাঁরা রাজনীতি করবেন, রাজনৈতিক মঞ্চ, নিয়মকানুন মেনে চলবেন। এর বাইরে যদি কিছু করেন, তাহলে তাঁদের আইনগতভাবে জবাব দেওয়া হবে। রাজনীতি করতে হলে রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনেই করতে হবে। এর বাইরে অন্য কিছু করার সুযোগ নেই। সেটা করলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিহত করবে।’
আজ বুধবার সকালে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় আনসার-ভিডিপি মডেল ভবন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ভবনের উদ্বোধন করেন।
জামায়াত-শিবিরের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জামায়াত-শিবির বলে কোনো কথা নেই। যাঁরাই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন, তিনি যে-ই হোন, আমরা তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব এবং সেটা নিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সুন্দরভাবে বীরত্ব এবং বীরত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। তারা দেশকে ভালোবাসে এটা বারবার প্রমাণ করে যাচ্ছে।’
সীমান্ত হত্যা নিয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় তারাও অভিন্ন অভিমত দিয়েছে বর্ডার কিলিং বন্ধ করার ব্যাপারে। সীমান্তে নাশকতামূলক যে কর্মকাণ্ড হয়, তা তারা বন্ধ করবে। একই সঙ্গে তারা অবৈধ চলাচল বন্ধ করার ব্যাপারে আমাদের বলেছিল। আমরা তাদের বলেছিলাম, যে হাতিয়ারটা ব্যবহার করে, সেটা যেন এই ধরনের হাতিয়ার না হয়। সেটা তারা আমাদের ওয়াদা করেছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বিজিবি-বিএসএফ সব সময় একটা কথা হয়। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আমরা আমাদের অসন্তোষগুলো জানাই। তারাও তাদের সেগুলো জানায়। দুই দেশের সম্পর্ক সব সময় ভালো।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলম, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আদিবা আনজুম মিতা, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে