
রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবচেয়ে বড় ম্যুরালটি ভেঙে ফেলা যায়নি। তাই সেটির ওপরে সাদা রঙের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। আজ রোববার সকাল থেকে কয়েকজন রংমিস্ত্রিকে এই কাজ করতে দেখা গেছে। কারা এই কাজের জন্য এনেছেন তা জানাতে পারেননি ওই মিস্ত্রিরা।
নগরের সিঅ্যান্ডবি মোড়ে জেলা পরিষদের জায়গায় ম্যুরালটি নির্মাণ করে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। ম্যুরালের উচ্চতা ৫৮ ফুট। তবে মূল অংশের উচ্চতা ৫০ ফুট। আর চওড়া ৪০ ফুট। এটি নির্মাণে ৫ কোটি ২ লাখ টাকা ব্যয় করে সিটি করপোরেশন। নির্মাণের পর রাসিকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটিই দেশের সবচেয়ে বড় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল।
ম্যুরালটির সীমানা প্রাচীরের দুপাশে ৭০০ বর্গফুট টেরাকাটার কাজ করা হয়। একাধারে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের লোকজ সংস্কৃতির নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্যও তুলে ধরা হয়েছে। ল্যান্ডস্কেপিংয়ে গ্রানাইট দিয়ে সজ্জিত করা হয়।
২০১৯ সালের ১ অক্টোবর ম্যুরালের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন রাসিকের তৎকালীন মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারও। ২০২২ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়।
ওই বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত পঞ্চম সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় অংশ নিতে রাজশাহী এসে ম্যুরালটির উদ্বোধন করেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল এবং তৎকালীন সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই ম্যুরাল ও টেরাকাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ম্যুরালটি ভেঙে ফেলা যায়নি।
রোববার সকাল থেকে সাদা রঙের প্রলেপে ম্যুরাল থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি মুছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। এর আগে গত ৫ আগস্টই রাজশাহীতে থাকা বঙ্গবন্ধুর বেশির ভাগ ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। সবশেষ গত ৬ ফেব্রুয়ারি ‘জিতবে আবার নৌকা’ গানের তালে তালে বুলডোজার দিয়ে রাজশাহী কলেজে থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি গুঁড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
৬ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৮ ঘণ্টা আগে