বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাঘায় এক আওয়ামী লীগ কর্মীর বাড়িতে ইফতারের দাওয়াত খাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মনিগ্রাম বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির কর্মী বকুল হোসেন পক্ষের কর্মী জাহিদ হাসান নামের এক ব্যক্তি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দুটি ছবিসহ একটি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন ‘গতকাল ২৪শে রমজান মনিগ্রাম ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আয়নাল হক পিন্টুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাপের (গোলাম মোস্তফা) বাড়িতে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।’ ফেসবুকের পোস্টটি আয়নাল হক পিন্টু ও তাঁর সমর্থকদের নজরে আসে। ওই দিন বিষয়টি নিয়ে মনিগ্রাম বাজারে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়েছেন। আহত নেতা-কর্মীরা হলেন উপজেলার মনিগ্রামের সোহাগ আলী (১৮), বকুল হোসেন (৩৮), রনি হোসেন (৩১), আলিফ হোসেন (২০), ফারুক হোসেন (৪০) কুদরত আলী (৪১), সোহেল রানা (৩০) ও উপজেলার তুলশিপুর গ্রামের জাহিদ হোসেন (৩০) ও মজিবর রহমান (৪১)। তাঁদের মধ্যে সোহাগ আলীর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আয়নাল হক পিন্টু বলেন, ‘এটা অপপ্রচার। আসল ঘটনা হচ্ছে, আমিসহ এলাকার অনেক লোকের কাছে বকুল হোসেন ও তাঁর সমর্থকেরা ঈদ উপলক্ষে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার করেন। এর মধ্যে ফেসবুকে লিখেছেন, আমি আওয়ামী লীগের নেতার বাড়িতে ইফতার করে বেড়াচ্ছি। এ বিষয়ে মনিগ্রাম বাজারে তাঁর কাছে জবাব চাইলে তাঁরা আমার ও আমার লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে অনেককে আহত করেন এবং বাজারে রাশিদুলের গুড়ের আড়ত ভাঙচুর করেন।’
এ ব্যাপারে বকুল হোসেন বলেন, ‘ওয়ার্ডের সভাপতি আয়নাল হক পিন্টু ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতিসহ নেতাদের নিয়ে আওয়ামী লীগের গোলাপের বাড়িতে ইফতারে যাওয়ায় জাহিদ ফেসবুকে লেখালেখি করে। এ জন্য আয়নাল হক মনিগ্রাম বাজারের দক্ষিণ মাথায় যেতে নিষেধ করেন। ওই দিন রাতে জাহিদ বাজারে গেলে আয়নাল হক ও তার লোকজন হামলা করে। এতে উভয়ের মধ্যে মারামারি ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করিনি।’
বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম মোস্তফা জানান, তিনি একজন সার ব্যবসায়ী। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের সঙ্গে চলতে হয়। আগে বিএনপির সঙ্গে চলেছেন। আওয়ামী লীগের সময় তাদের সঙ্গেও চলতে হয়েছে। তিনি কোনো নেতা নন। প্রতিবছর তাঁর বাবা-মায়ের দোয়ার একটি অনুষ্ঠান রমজানের শেষের দিকে করে থাকেন তিনি। এবার ২৪ মার্চ সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। তিনি আরও জানান, তাঁর ফুফাতো ভাই কালু বিএনপির রাজনীতি করেন। তিনি কয়েকজন বিএনপি নেতাকে দাওয়াত করেছিলেন। গোলাম মোস্তফা নিজেও কয়েকজনকে করেছেন। এই অনুষ্ঠানে বকুল হোসেন দাওয়াত পাননি। এই ক্ষোভে তিনি ফেসবুকে তাঁকে আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে প্রচার করেছেন। এখন কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজশাহীর বাঘায় এক আওয়ামী লীগ কর্মীর বাড়িতে ইফতারের দাওয়াত খাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার মনিগ্রাম বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির কর্মী বকুল হোসেন পক্ষের কর্মী জাহিদ হাসান নামের এক ব্যক্তি তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দুটি ছবিসহ একটি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন ‘গতকাল ২৪শে রমজান মনিগ্রাম ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আয়নাল হক পিন্টুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাপের (গোলাম মোস্তফা) বাড়িতে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।’ ফেসবুকের পোস্টটি আয়নাল হক পিন্টু ও তাঁর সমর্থকদের নজরে আসে। ওই দিন বিষয়টি নিয়ে মনিগ্রাম বাজারে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়েছেন। আহত নেতা-কর্মীরা হলেন উপজেলার মনিগ্রামের সোহাগ আলী (১৮), বকুল হোসেন (৩৮), রনি হোসেন (৩১), আলিফ হোসেন (২০), ফারুক হোসেন (৪০) কুদরত আলী (৪১), সোহেল রানা (৩০) ও উপজেলার তুলশিপুর গ্রামের জাহিদ হোসেন (৩০) ও মজিবর রহমান (৪১)। তাঁদের মধ্যে সোহাগ আলীর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আয়নাল হক পিন্টু বলেন, ‘এটা অপপ্রচার। আসল ঘটনা হচ্ছে, আমিসহ এলাকার অনেক লোকের কাছে বকুল হোসেন ও তাঁর সমর্থকেরা ঈদ উপলক্ষে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে নানা রকম অপপ্রচার করেন। এর মধ্যে ফেসবুকে লিখেছেন, আমি আওয়ামী লীগের নেতার বাড়িতে ইফতার করে বেড়াচ্ছি। এ বিষয়ে মনিগ্রাম বাজারে তাঁর কাছে জবাব চাইলে তাঁরা আমার ও আমার লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে অনেককে আহত করেন এবং বাজারে রাশিদুলের গুড়ের আড়ত ভাঙচুর করেন।’
এ ব্যাপারে বকুল হোসেন বলেন, ‘ওয়ার্ডের সভাপতি আয়নাল হক পিন্টু ইউনিয়নের বিএনপির সভাপতিসহ নেতাদের নিয়ে আওয়ামী লীগের গোলাপের বাড়িতে ইফতারে যাওয়ায় জাহিদ ফেসবুকে লেখালেখি করে। এ জন্য আয়নাল হক মনিগ্রাম বাজারের দক্ষিণ মাথায় যেতে নিষেধ করেন। ওই দিন রাতে জাহিদ বাজারে গেলে আয়নাল হক ও তার লোকজন হামলা করে। এতে উভয়ের মধ্যে মারামারি ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ করিনি।’
বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে গোলাম মোস্তফা জানান, তিনি একজন সার ব্যবসায়ী। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তাদের সঙ্গে চলতে হয়। আগে বিএনপির সঙ্গে চলেছেন। আওয়ামী লীগের সময় তাদের সঙ্গেও চলতে হয়েছে। তিনি কোনো নেতা নন। প্রতিবছর তাঁর বাবা-মায়ের দোয়ার একটি অনুষ্ঠান রমজানের শেষের দিকে করে থাকেন তিনি। এবার ২৪ মার্চ সেই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। তিনি আরও জানান, তাঁর ফুফাতো ভাই কালু বিএনপির রাজনীতি করেন। তিনি কয়েকজন বিএনপি নেতাকে দাওয়াত করেছিলেন। গোলাম মোস্তফা নিজেও কয়েকজনকে করেছেন। এই অনুষ্ঠানে বকুল হোসেন দাওয়াত পাননি। এই ক্ষোভে তিনি ফেসবুকে তাঁকে আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী বলে প্রচার করেছেন। এখন কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আছাদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে