
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল থেকে যাত্রী ও যানবাহন ভোগান্তি ছাড়াই ফেরিতে উঠে তাদের গন্তব্যে চলে যাচ্ছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন।
মাগুড়া থেকে ছেড়ে আসা প্রাইভেট কারচালক মনতাজুর রহমান বলেন, ‘ভোট দিতে স্যারকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। ভোট শেষে ঢাকাতে ফিরছি। ফেরিঘাটের পরিস্থিতি খুবই ভালো, কোনো যানজট নেই। নেই কোনো ভোগান্তি। আসামাত্রই ফেরিতে উঠতে পেরেছি।’
ঝিনাইদাহ থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে আসা রমজান শেখ বলেন, ‘ভোট দিতে গিয়ে ছিলাম বাড়িতে। ছুটি শেষ এখন ঢাকায় ফিরছি। পথে কোনো ভোগান্তি নেই। ফেরি ঘাটেও কোনো ভোগান্তি নেই।’
আয়শা খাতুন বলেন, ‘পথে ও ফেরিঘাটে কোনো ভোগান্তি নেই। ঘাটেও যানজট নেই, তবে গাড়ি ভাড়াটা বেশি নেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে ফেরার সময় বাড়তি ভাড়া দিয়ে এসেছিলাম। যাওয়ার সময়ও বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে।’
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, নির্বাচন শেষে ঘরে ফেরা মানুষ তাদের কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। সকাল থেকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই যানজট, নেই ভোগান্তি। যানবাহনগুলো সরাসরি ফেরিতে উঠে গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় মিলে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে।

রান্না করার সময় গরুর মাংসের রং উজ্জ্বল সবুজ হয়ে যাওয়ার সেই নজিরবিহীন ও রহস্যময় ঘটনার জট অবশেষে খুলেছে। গত ২২ জুলাই খুলনার পাইকগাছায় ঘটে যাওয়া এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ল্যাবরেটরিতে সংগৃহীত মাংসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
৩৪ মিনিট আগে
একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৭ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৮ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৮ ঘণ্টা আগে