রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীতে ফেরি থেকে পড়ে গিয়ে উদ্ধার হওয়া যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ-পুলিশ। তবে পড়ে যাওয়ার স্পষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
গতকাল শনিবার তাঁকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অসংলগ্ন কথা-বার্তা বলছিলেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার এসব তথ্য জানিয়েছেন দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল কবির।
ওই যুবকের নাম বাঁধন মোল্লা (২৮)। তিনি বরগুনা তালতলি উপজেলার মালেক মোল্লার ছেলে।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ কর্মকর্তা সিরাজুল কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে দৌলতদিয়া থেকে পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বরকত নামের একটি রো রো ফেরি থেকে এক যুবক নদীতে ঝাঁপ দেয়। সে সময় স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা একটি ট্রলার নিয়ে ৫ ও ৭ নম্বর ফেরি ঘাটের মাঝামাঝি স্থান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ওই যুবককে আটক করে।’
ওসি সিরাজুল কবির বলেন, ‘কেন ওই যুবক ফেরি থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে সেটা এখনো জানা যায়নি। অনেকেই বলছে, ওই যুবক ছিনতাইকারী। ছিনতাইয়ের সময় নদীতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু এ বিষয়েও কোনো অভিযোগ পাইনি। ঘটনার পর ফেরি বরকতের স্টাফদের সঙ্গে কথা বললে তারাও কিছু জানেন না বলে জানিয়েছে।’
নৌ-পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘পুলিশের ধারণা ওই যুবক নেশাগ্রস্ত ছিল। সে কারণে হয়তো মাথা ঘুরে নদীতে পরে যায়। তার সঙ্গে কথা বলে অসংলগ্ন কথা-বার্তা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ওই যুবকের নামে ঢাকার শাহ আলী থানায় একটি মাদক মামলা ছিল। ওই মামলায় তিন বছর জেলও খেটেছে। জেলে যাওয়ার আগে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে সে বিয়ে করে। জেল থেকে বেড় হয়ে এসে, সে তাঁর স্ত্রীকে খুঁজে পায়নি। ঘটনার আগের রাতে সে যৌনপল্লিতে ছিল। হয়তো নেশাগ্রস্ত থাকার কারণে ফেরি থেকে পড়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আটককৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীতে ফেরি থেকে পড়ে গিয়ে উদ্ধার হওয়া যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ-পুলিশ। তবে পড়ে যাওয়ার স্পষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
গতকাল শনিবার তাঁকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অসংলগ্ন কথা-বার্তা বলছিলেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার এসব তথ্য জানিয়েছেন দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল কবির।
ওই যুবকের নাম বাঁধন মোল্লা (২৮)। তিনি বরগুনা তালতলি উপজেলার মালেক মোল্লার ছেলে।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ কর্মকর্তা সিরাজুল কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে দৌলতদিয়া থেকে পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বরকত নামের একটি রো রো ফেরি থেকে এক যুবক নদীতে ঝাঁপ দেয়। সে সময় স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা একটি ট্রলার নিয়ে ৫ ও ৭ নম্বর ফেরি ঘাটের মাঝামাঝি স্থান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ওই যুবককে আটক করে।’
ওসি সিরাজুল কবির বলেন, ‘কেন ওই যুবক ফেরি থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে সেটা এখনো জানা যায়নি। অনেকেই বলছে, ওই যুবক ছিনতাইকারী। ছিনতাইয়ের সময় নদীতে ঝাঁপ দেয়। কিন্তু এ বিষয়েও কোনো অভিযোগ পাইনি। ঘটনার পর ফেরি বরকতের স্টাফদের সঙ্গে কথা বললে তারাও কিছু জানেন না বলে জানিয়েছে।’
নৌ-পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘পুলিশের ধারণা ওই যুবক নেশাগ্রস্ত ছিল। সে কারণে হয়তো মাথা ঘুরে নদীতে পরে যায়। তার সঙ্গে কথা বলে অসংলগ্ন কথা-বার্তা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ওই যুবকের নামে ঢাকার শাহ আলী থানায় একটি মাদক মামলা ছিল। ওই মামলায় তিন বছর জেলও খেটেছে। জেলে যাওয়ার আগে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিতে সে বিয়ে করে। জেল থেকে বেড় হয়ে এসে, সে তাঁর স্ত্রীকে খুঁজে পায়নি। ঘটনার আগের রাতে সে যৌনপল্লিতে ছিল। হয়তো নেশাগ্রস্ত থাকার কারণে ফেরি থেকে পড়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আটককৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

পাইকের বাড়ি গ্রামের কলেজছাত্রী পান্না বাড়ৈ জানান, ওই পাঁচ নারী রোববার ভোরে দিনমজুরের কাজ করতে মাদারীপুরে যান। কাজ শেষে ইজিবাইকে করে ফেরার পথে ঘটকচর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসটির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তাঁরা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
৭ মিনিট আগে
পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিস্ফোরক মামলায় স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও স্বরূপকাঠি পৌর যুবলীগের সভাপতি শিশির কর্মকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ভোরে নেছারাবাদ উপজেলার পান হাটখোলা এলাকার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে নেছারাবাদ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
৩১ মিনিট আগে
শীত এলেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় পিঠা-পায়েসের আয়োজন। পিঠা তৈরির অন্যতম সহায়ক হলো গুড়। অনেকে চিনি দিয়েও তৈরি করে থাকে। তবে এই নাশতাকে সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু করে তোলে খেজুর রসের গুড়।
১ ঘণ্টা আগে
দোতালা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে বসে রয়েছেন ফার্মাসিস্ট মোল্লা মনিরুজ্জামান। তাঁর কাছেই বিভিন্ন বয়সী রোগীরা আসছেন চিকিৎসা নিতে। উপসর্গ শুনে রোগীদের জন্য নিজেই ওষুধ লিখে দিচ্ছেন মনিরুজ্জামান।
১ ঘণ্টা আগে