রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীতে সাংবাদিক আহসান হাবীব টুটুলকে ইয়াবা দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তাঁর পরিববার। আজ শুক্রবার সাংবাদিক টুটুলের মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আজ বেলা ১১টার দিকে রাজবাড়ী জেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভি ও সংবাদ সংস্থা ইউএনবির রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি আহসান হাবীব টুটুল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিক টুটুলের ছেলে সিনান আহমেদ শুভ ও মেয়ে লামিয়া হাবীব সুরভী বলেন, ১ জুলাই সকাল ৬টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা রাজবাড়ী শহরে বিনোদপুরে তাঁদের বসতবাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। তাঁর বাবা বাড়ির গেট খুলে দেন। এরপর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ইয়াবা কোথায় জানতে চান। এ কথা শুনে তাঁর বাবা আহসান হাবীব হতভম্ব হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘এসব আমার কাছে কীভাবে আসবে।’ পরে কর্মকর্তারা তাঁদের বাড়ির একটি কক্ষে যান এবং সেখানে ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে জানান। শুভ ও সুরভী জানান, তাঁদের বাড়িতে ১৩টি কক্ষ। মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণের কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট একটি কক্ষে গিয়ে কীভাবে ইয়াবা পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। এই দুই ভাই-বোন দাবি করেন, একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার তাঁর বাবা।
সংবাদ সম্মেলনে শুভ ও সুরভী আরও বলেন, তাঁরা সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য। তাঁর দাদা মোহাম্মদ সানাউল্লাহ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিডিনিউজ টুয়েন্টি ফোর ডট কমের প্রতিনিধি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি দৈনিক বাংলা, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক সমকালসহ দেশের প্রথম সারির মিডিয়াগুলোতে সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তাঁদের পরিবার যুক্ত। তাঁর চাচা আহসান রাজীব বুলবুল কানাডাপ্রবাসী। তিনি কানাডায় থেকে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত রয়েছেন। দৈনিক সমকাল ও চ্যানেল আইয়ে কাজ করেন তিনি। তাঁর চাচি লায়লা নুসরাতও কানাডায় থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় কাজ করছেন। এই দুই ভাই-বোন দাবি করেন, এমন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য হয়ে মাদকের মতো ঘৃণ্য কাজে কখনো তাঁর বাবা লিপ্ত থাকতে পারেন না। তাঁরা তাঁদের বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি করেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শুভ বলেন, ‘আমার বাবা এখন জেলে আছেন। তাঁর জামিনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক আহসান হাবীবের খালা উম্মে হাবিবা ও বন্ধু ফারুক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে রাজবাড়ীর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ বলেন, ‘আহসান হাবীব টুটুল দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও কারবার করে আসছিল। আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২৮০ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’ সংবাদ সম্মেলন নিয়ে অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আহসান হাবীব টুটুলের পরিবার যে অভিযোগ করছে, তা ভিত্তিহীন।’

রাজবাড়ীতে সাংবাদিক আহসান হাবীব টুটুলকে ইয়াবা দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তাঁর পরিববার। আজ শুক্রবার সাংবাদিক টুটুলের মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আজ বেলা ১১টার দিকে রাজবাড়ী জেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভি ও সংবাদ সংস্থা ইউএনবির রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি আহসান হাবীব টুটুল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিক টুটুলের ছেলে সিনান আহমেদ শুভ ও মেয়ে লামিয়া হাবীব সুরভী বলেন, ১ জুলাই সকাল ৬টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা রাজবাড়ী শহরে বিনোদপুরে তাঁদের বসতবাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। তাঁর বাবা বাড়ির গেট খুলে দেন। এরপর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ইয়াবা কোথায় জানতে চান। এ কথা শুনে তাঁর বাবা আহসান হাবীব হতভম্ব হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘এসব আমার কাছে কীভাবে আসবে।’ পরে কর্মকর্তারা তাঁদের বাড়ির একটি কক্ষে যান এবং সেখানে ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে জানান। শুভ ও সুরভী জানান, তাঁদের বাড়িতে ১৩টি কক্ষ। মাদকদব্য নিয়ন্ত্রণের কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট একটি কক্ষে গিয়ে কীভাবে ইয়াবা পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। এই দুই ভাই-বোন দাবি করেন, একটি কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের শিকার তাঁর বাবা।
সংবাদ সম্মেলনে শুভ ও সুরভী আরও বলেন, তাঁরা সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য। তাঁর দাদা মোহাম্মদ সানাউল্লাহ ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বিডিনিউজ টুয়েন্টি ফোর ডট কমের প্রতিনিধি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি দৈনিক বাংলা, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক সমকালসহ দেশের প্রথম সারির মিডিয়াগুলোতে সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তাঁদের পরিবার যুক্ত। তাঁর চাচা আহসান রাজীব বুলবুল কানাডাপ্রবাসী। তিনি কানাডায় থেকে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত রয়েছেন। দৈনিক সমকাল ও চ্যানেল আইয়ে কাজ করেন তিনি। তাঁর চাচি লায়লা নুসরাতও কানাডায় থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় কাজ করছেন। এই দুই ভাই-বোন দাবি করেন, এমন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য হয়ে মাদকের মতো ঘৃণ্য কাজে কখনো তাঁর বাবা লিপ্ত থাকতে পারেন না। তাঁরা তাঁদের বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবি করেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শুভ বলেন, ‘আমার বাবা এখন জেলে আছেন। তাঁর জামিনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক আহসান হাবীবের খালা উম্মে হাবিবা ও বন্ধু ফারুক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে রাজবাড়ীর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু আব্দুল্লাহ জাহিদ বলেন, ‘আহসান হাবীব টুটুল দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও কারবার করে আসছিল। আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২৮০ পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’ সংবাদ সম্মেলন নিয়ে অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আহসান হাবীব টুটুলের পরিবার যে অভিযোগ করছে, তা ভিত্তিহীন।’

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৩ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে