নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন কাজী সাখাওয়াত হোসেন নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা।
আজ বুধবার সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে ওই মুক্তিযোদ্ধার ওপর স্থানীয় এক সাংবাদিক চড়াও হন। উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সাখাওয়াত নেছারাবাদ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার গণহত্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ মুক্তিযোদ্ধা ও প্রশাসনের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সাখাওয়াত বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। তখন উপস্থিত কয়েকজন এর বিরোধিতা করলে তিনি ক্ষমা চান। কিন্তু এর জেরে আজ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সাখাওয়াতের ওপর চড়াও হন স্থানীয় সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা।
এ নিয়ে কথা হলে সাখাওয়াত বলেন, ‘সব পরিবেশে জয় বাংলা বলা ঠিক না। পরিবেশ বুঝে সবকিছু বলতে হয়। আমি ওই দিন জয় বাংলা বলার কারণে আজ স্থানীয় সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা আমার ওপর একটু উত্তেজিত হয়েছিল।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘২৬ মার্চ অনুষ্ঠানের দিন কোনো ‘‘জয় বাংলা’’ স্লোগান বলা হয়নি। মূলত ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভার অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কাজী সাখাওয়াত হোসেন ‘‘জয় বাংলা’’ বলেছিলেন। তখন অনেকে তাঁর বিরোধিতা করেন। তখনোই তিনি ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়েছেন। আসলে বিষয়টি নিয়ে আমিও বিব্রত হয়েছি।’

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন কাজী সাখাওয়াত হোসেন নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা।
আজ বুধবার সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে ওই মুক্তিযোদ্ধার ওপর স্থানীয় এক সাংবাদিক চড়াও হন। উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সাখাওয়াত নেছারাবাদ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার গণহত্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাসহ মুক্তিযোদ্ধা ও প্রশাসনের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সাখাওয়াত বক্তব্য শেষে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। তখন উপস্থিত কয়েকজন এর বিরোধিতা করলে তিনি ক্ষমা চান। কিন্তু এর জেরে আজ স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে সাখাওয়াতের ওপর চড়াও হন স্থানীয় সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা।
এ নিয়ে কথা হলে সাখাওয়াত বলেন, ‘সব পরিবেশে জয় বাংলা বলা ঠিক না। পরিবেশ বুঝে সবকিছু বলতে হয়। আমি ওই দিন জয় বাংলা বলার কারণে আজ স্থানীয় সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা আমার ওপর একটু উত্তেজিত হয়েছিল।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘২৬ মার্চ অনুষ্ঠানের দিন কোনো ‘‘জয় বাংলা’’ স্লোগান বলা হয়নি। মূলত ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে উপজেলা অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভার অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কাজী সাখাওয়াত হোসেন ‘‘জয় বাংলা’’ বলেছিলেন। তখন অনেকে তাঁর বিরোধিতা করেন। তখনোই তিনি ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়েছেন। আসলে বিষয়টি নিয়ে আমিও বিব্রত হয়েছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে