
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পুত্র ও পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ সাঈদীর হাত ধরে পিরোজপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৫ জন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।
আজ শনিবার সকালে কেন্দ্রঘোষিত গণসংযোগ উপলক্ষে মাসুদ সাঈদী পিরোজপুর সদর উপজেলার হুলারহাট, পিটিআই, খালিশাখালী, রায়েরকাঠি ও মরিচাল এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে গণসংযোগ করেন। এ সময় মাসুদ সাঈদীর আহ্বানে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ অসংখ্য মানুষ তাঁর হাতে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করেন।
জামায়াতের সহযোগী সদস্য ফরম পূরণকারী সনাতন ধর্মাবলম্বীরা হলেন সদর উপজেলার কুণ্ড সাহা, বিশ্বজিৎ সাহা, জয় সাহা, সমিরণ দাস, উত্তম কুণ্ড, নিতাই কুণ্ড, অচিন কুণ্ড, সুনীল দাস; বানেশ্বর গ্রামের কৃষ্ণ রায়, কৃষ্ণ কুমার মাঝি; শিকারপুর এলাকার সুকান্ত মিস্ত্রী; কদমতলা এলাকার রতন কুমার শীল; পালপাড়া এলাকার নিতাই মণ্ডল, সুকুমার রায়, মনিন্দ্র লাল সাহা এবং রাজারহাট এলাকার জয়দেব মিত্র।
গণসংযোগকালে মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘আমাদের সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি। ৫ আগস্টের বিজয় আমাদের পথ দেখিয়েছে। এখন প্রয়োজন সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সেই পথ ধরে এগিয়ে গিয়ে একটি প্রকৃত বৈষম্যহীন কল্যাণময় বাংলাদেশ গড়ে তোলা। বিজয়কে অর্থবহ করতে হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি দেশ রেখে যেতে হবে, যেখানে তারা গৌরবের সঙ্গে বলতে পারবে—আমরা আমাদের স্বাধীনতা ও বিজয়ের প্রকৃত অর্থ বুঝতে পেরেছি এবং সেটিকে রক্ষা করতে পেরেছি।’

মহাসড়কের ওপর একটি খালি ট্রাক ইউ-টার্ন নেওয়ার সময় ঢাকাগামী আলুবোঝাই আরেকটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দেয়। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাস এসে ট্রাকটিকে ধাক্কা দিলে মুহূর্তেই ত্রিমুখী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
৩৭ মিনিট আগে
ফাল্গুন-চৈত্র এলেই যেন আগুনের ঋতু নেমে আসে গাজীপুরের শ্রীপুর রেঞ্জের অধীনে ভাওয়ালের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। বিস্তীর্ণ সবুজে দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে রহস্যময় আগুনে। প্রতিবছর গ্রাস করে শত শত একর বনভূমি। পুড়ে ছাই হয় শুধু গাছপালা নয়, হারিয়ে যায় বন্য প্রাণী...
৫ ঘণ্টা আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের অঞ্চলগুলোতে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। তবে ফেরার পথে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। অভিযোগ উঠেছে, গণপরিবহন ও জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে একশ্রেণির পরিবহনশ্রমিক ও সিন্ডিকেট যাত্রীদের...
৬ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে হত্যা, হামলা ও সহিংসতার অভিযোগে আদালতে করা মামলাগুলোতে আসামি করা ব্যক্তিদের বড় অংশই তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত তদন্ত শেষ হওয়া ৮২টি মামলার প্রায় ৬৩ শতাংশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
৬ ঘণ্টা আগে