দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মন্দিরে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় কৃষ্ণভক্তের দায়ের করা মামলায় তিন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে (২৮ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দশমিনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের এবং ওই মামলার ২ নম্বর আসামি উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর গ্রামের পরেশ হাওলাদারের ছেলে পলাশ হাওলাদার (৩৫), ৩ নম্বর আসামি বাবুল হাওলাদারের ছেলে বিপ্লব হাওলাদার (৩৫) ও ১৬ নম্বর আসামি গৌরঙ্গ হাওলাদারের ছেলে বাবুল হাওলাদার (৪০)।
থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর গ্রামে ১৪ জানুয়ারি রাতে এবং ১৫ জানুয়ারি সকালে মন্দিরে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণভক্ত ও মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ২৪ জন আহত হন। ৭-৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল থেকে কৃষ্ণভক্তের দেবাংশু হাওলাদারকে ১৮ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ২১ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দেবাংশু হাওলাদার।
ওই ঘটনায় কৃষ্ণভক্তের ভবরঞ্জন হাওলাদার বাদী হয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের ২৭ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে (২৮ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ থেকে পলাশ হাওলাদার, বিপ্লব হাওলাদার ও বাবুল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতেই বিষয়টি দশমিনা থানায় জানানো হয়। পরে থানা-পুলিশ আজ বুধবার দুপুরে তাঁদের দশমিনা থানায় নিয়ে আসে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ আবদুল আলিম আজকের পত্রিকাকে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মন্দিরে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় কৃষ্ণভক্তের দায়ের করা মামলায় তিন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে (২৮ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দশমিনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের এবং ওই মামলার ২ নম্বর আসামি উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর গ্রামের পরেশ হাওলাদারের ছেলে পলাশ হাওলাদার (৩৫), ৩ নম্বর আসামি বাবুল হাওলাদারের ছেলে বিপ্লব হাওলাদার (৩৫) ও ১৬ নম্বর আসামি গৌরঙ্গ হাওলাদারের ছেলে বাবুল হাওলাদার (৪০)।
থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের আউলিয়াপুর গ্রামে ১৪ জানুয়ারি রাতে এবং ১৫ জানুয়ারি সকালে মন্দিরে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণভক্ত ও মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ২৪ জন আহত হন। ৭-৮ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল থেকে কৃষ্ণভক্তের দেবাংশু হাওলাদারকে ১৮ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ২১ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দেবাংশু হাওলাদার।
ওই ঘটনায় কৃষ্ণভক্তের ভবরঞ্জন হাওলাদার বাদী হয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের ২৭ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। এই মামলায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে (২৮ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ থেকে পলাশ হাওলাদার, বিপ্লব হাওলাদার ও বাবুল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতেই বিষয়টি দশমিনা থানায় জানানো হয়। পরে থানা-পুলিশ আজ বুধবার দুপুরে তাঁদের দশমিনা থানায় নিয়ে আসে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ আবদুল আলিম আজকের পত্রিকাকে জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে