পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সাতজনকে মাদক ব্যবসার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদেরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ এস এম এরশাদুল আলম এই রায় ঘোষণা করেন।
কারাদণ্ডাদেশের বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নজরুল ইসলাম বাদল।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. মোশাররফ শিকদার, মো. বাদল খান, মো. ইলিয়াস সরদার, মো. জহির সরদার, মো. আলামিন ও মো. কালা ফারুক এবং মো. সোহরাব মাঝি। তাঁরা কলাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে (২০১৮) মামলা হয়।
আদালত থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালে কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটার গঙ্গামতি সৈকত থেকে গভীর সমুদ্রে ৫ লাখ ইয়াবা বড়ির চালান নিয়ে আসছিলেন আসামিরা। এ সময় কোস্টগার্ড খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবাসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। আসামিদের কলাপাড়া থানায় হস্তান্তর করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা করা হয়।
পিপি নজরুল ইসলাম বাদল বলেন, ‘মাদক মামলায় ৭ জনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। তাঁদের মধ্যে তিনজন কারাগারে ছিলেন এবং তাঁদের কখনো জামিন হয়নি। এ ছাড়া বাকি চারজন জামিনে ছিলেন। তবে আজ সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।’

ফেনীতে মেডিকেল কলেজ স্থাপন ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি হলেও এ দাবিকে কেন্দ্র করে কিছু মহল ‘মব’ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ৪ এপ্রিল ফেনী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এবি পার্টির এক নারীনেত্রীর বক্তব্যকে তিনি ‘অরুচিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করেন।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্নাতক (পাস) তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা অটোপাসের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মূল ফটকে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে আসছেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। আজ সোমবার স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের মদিনা শহরে বুলডোজারের চাকায় আহত হয়ে এক প্রবাসী মারা গেছেন। তাঁর নাম আহমদ হোসেন (৫৮)। গতকাল রোববার রাত ২টার দিকে (সৌদি আরবের সময়) মদিনা শহরের চানাইয়া নামের এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অতিরিক্ত ফি আদায় করা হলে সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না। যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ আমাদের টাকায় শিক্ষকদের বেতন হয়। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যেন অযাচিত কিছু চাপিয়ে না দেওয়া হয়, সে বিষয়ে কাজ চলছে।’
৩ ঘণ্টা আগে