প্রতিনিধি, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর লেবুখালীতে পায়রা নদীর ওপর দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মাণে সাশ্রয় হতে যাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই কাজ শেষ হবে। এরই মধ্যে মূল সেতু দুই পাড়ে সংযুক্ত হয়েছে। এখন চলছে নদীশাসনসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম। সেতুটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
বরিশাল-পটুয়াখালী সড়কের পায়রা নদীর ওপর ২০১৬ সালে লেবুখালী-পায়রা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘লনজিয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ কনস্ট্রাকশন’ এই সেতু নির্মাণ করছে। ১ হাজার ৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থের এই সেতু কেব্ল দিয়ে দুই পাশে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে নদীর মাঝখানে একটি মাত্র পিলার ব্যবহার করা হয়েছে।
কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ বিনিয়োগে মূল সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা।
পায়রা সেতু প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) মোহাম্মদ আবদুল হালিম বলেন, ‘মূল সেতুর জন্য ১ হাজার ১৭০ কোটি টাকার চুক্তি রয়েছে। ব্যয় এখনো সম্পূর্ণ হিসাব করা হয়নি। আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হিসাব করা হবে। কাজের ধরনে আমাদের এত টাকার প্রয়োজন হবে না। আমার ধারণা, ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’
নির্মাণাধীন সেতুর কাজের জন্য ফেরিঘাট এলাকায় ভোগান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বরিশাল প্রান্তে কোনো ধরনের ভোগান্তি নেই। পটুয়াখালী অংশে কিছু ভোগান্তি রয়েছে। সেতুর ডেভেনশনগুলো নিচু, আর কাজ যেহেতু চলমান, সে ক্ষেত্রে ফেরিঘাটে একটু ভোগান্তি থাকবে। সাধারণের ভোগান্তির জন্য কর্তৃপক্ষ দুঃখিত। দুই মাস পর সব ভোগান্তি দূর হবে। যানবাহন চলাচল সচল রাখতে সেতুর দুই পাড়ে কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট রয়েছে। ঠিকাদারকে সে ধরনের নির্দেশনা সব সময় প্রদান করা হচ্ছে। আমরা প্রতিদিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করি, যাতে কোনো স্থানে মানুষের ভোগান্তি পোহাতে না হয়।’
দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পায়রা সেতুতে যানবাহন চলাচল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্মুক্ত করা হবে।’

পটুয়াখালীর লেবুখালীতে পায়রা নদীর ওপর দৃষ্টিনন্দন সেতু নির্মাণে সাশ্রয় হতে যাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা। চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই কাজ শেষ হবে। এরই মধ্যে মূল সেতু দুই পাড়ে সংযুক্ত হয়েছে। এখন চলছে নদীশাসনসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম। সেতুটি চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
বরিশাল-পটুয়াখালী সড়কের পায়রা নদীর ওপর ২০১৬ সালে লেবুখালী-পায়রা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘লনজিয়ান রোড অ্যান্ড ব্রিজ কনস্ট্রাকশন’ এই সেতু নির্মাণ করছে। ১ হাজার ৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৯ দশমিক ৭৬ মিটার প্রস্থের এই সেতু কেব্ল দিয়ে দুই পাশে সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে নদীর মাঝখানে একটি মাত্র পিলার ব্যবহার করা হয়েছে।
কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট, ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ বিনিয়োগে মূল সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা।
পায়রা সেতু প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) মোহাম্মদ আবদুল হালিম বলেন, ‘মূল সেতুর জন্য ১ হাজার ১৭০ কোটি টাকার চুক্তি রয়েছে। ব্যয় এখনো সম্পূর্ণ হিসাব করা হয়নি। আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হিসাব করা হবে। কাজের ধরনে আমাদের এত টাকার প্রয়োজন হবে না। আমার ধারণা, ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’
নির্মাণাধীন সেতুর কাজের জন্য ফেরিঘাট এলাকায় ভোগান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বরিশাল প্রান্তে কোনো ধরনের ভোগান্তি নেই। পটুয়াখালী অংশে কিছু ভোগান্তি রয়েছে। সেতুর ডেভেনশনগুলো নিচু, আর কাজ যেহেতু চলমান, সে ক্ষেত্রে ফেরিঘাটে একটু ভোগান্তি থাকবে। সাধারণের ভোগান্তির জন্য কর্তৃপক্ষ দুঃখিত। দুই মাস পর সব ভোগান্তি দূর হবে। যানবাহন চলাচল সচল রাখতে সেতুর দুই পাড়ে কর্তৃপক্ষ সচেষ্ট রয়েছে। ঠিকাদারকে সে ধরনের নির্দেশনা সব সময় প্রদান করা হচ্ছে। আমরা প্রতিদিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করি, যাতে কোনো স্থানে মানুষের ভোগান্তি পোহাতে না হয়।’
দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পায়রা সেতুতে যানবাহন চলাচল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উন্মুক্ত করা হবে।’

জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
৩ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
২৬ মিনিট আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
২৯ মিনিট আগে
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় সিআইডি সদর দপ্তরের মিডিয়া সেন্টারে মিডিয়া ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরের নিচতলায় এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে বলে।
৩৫ মিনিট আগে