পটুয়াখালী প্রতিনিধি

কর পরিশোধ না করায় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি আসনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কর বকেয়া থাকার অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলম।
বাছাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত পটুয়াখালী-২১ সার্কেল সহকারী কর কমিশনার মো. মাসুদ রানা জানান, কর অঞ্চল ঢাকা-৮ সার্কেলে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের ২০০০ সাল থেকে ২০০৮-৯ সাল পর্যন্ত ৮৮ লাখ ৬৯ হাজার ৮১১ টাকা কর বকেয়া রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে রাজস্ব আইনে বিচারাধীন মামলা রয়েছে।
মো. মাসুদ রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রুহুল আমিন হাওলাদার আমাদের জানিয়েছেন, বকেয়া কর আজকের মধ্যে পরিশোধ করবেন। তবে এখন পর্যন্ত করেননি। তাই আমরা বাছাই অনুষ্ঠানে অভিযোগ উত্থাপন করলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন।’
এ ছাড়া পটুয়াখালী-১ আসনে দাখিলকৃত মনোনয়নের মধ্যে ঋণখেলাপির দায়ে বাংলাদেশ কংগ্রেসের নাসির উদ্দীন এবং জাকের পার্টির মিজানুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের মহিউদ্দিন মামুনের কাগজপত্র সঠিক না থাকায় তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম বলেন, কর বকেয়া থাকায় রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। যাঁদের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে, তাঁরা আগামীকাল সোমবার বিকেল ৪টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে তাঁদের বিষয়ে চূড়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

কর পরিশোধ না করায় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি) আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর চারটি আসনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কর বকেয়া থাকার অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলম।
বাছাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত পটুয়াখালী-২১ সার্কেল সহকারী কর কমিশনার মো. মাসুদ রানা জানান, কর অঞ্চল ঢাকা-৮ সার্কেলে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের ২০০০ সাল থেকে ২০০৮-৯ সাল পর্যন্ত ৮৮ লাখ ৬৯ হাজার ৮১১ টাকা কর বকেয়া রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে রাজস্ব আইনে বিচারাধীন মামলা রয়েছে।
মো. মাসুদ রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রুহুল আমিন হাওলাদার আমাদের জানিয়েছেন, বকেয়া কর আজকের মধ্যে পরিশোধ করবেন। তবে এখন পর্যন্ত করেননি। তাই আমরা বাছাই অনুষ্ঠানে অভিযোগ উত্থাপন করলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন।’
এ ছাড়া পটুয়াখালী-১ আসনে দাখিলকৃত মনোনয়নের মধ্যে ঋণখেলাপির দায়ে বাংলাদেশ কংগ্রেসের নাসির উদ্দীন এবং জাকের পার্টির মিজানুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের মহিউদ্দিন মামুনের কাগজপত্র সঠিক না থাকায় তাঁর মনোনয়নপত্র স্থগিত করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম বলেন, কর বকেয়া থাকায় রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। যাঁদের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে, তাঁরা আগামীকাল সোমবার বিকেল ৪টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে তাঁদের বিষয়ে চূড়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে