কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া-ধানখালী সড়কের বিভিন্ন স্থান ধসে গেছে। এ ছাড়া দেখা দিয়েছে ফাটল। পাশের খাল থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নেওয়ায় সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
আজ শুক্রবার সরেজমিনে জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব রজপাড়া খালে ধসে পড়েছে কলাপাড়া-ধানখালী সড়কের বিভিন্ন অংশ। ফাটল দেখা গেছে সড়কের বিভিন্ন অংশে। এতে খালের দুই পাড়ের বসবাসকারী বাসিন্দারা আতঙ্কে আছেন।
স্থানীয়রা জানান, গত বছর সরকারি খাল থেকে মাটি বিক্রির পর মাছ চাষ করের সানী ও ফেরদাউস নামের দুই প্রভাবশালী স্থানীয় বাসিন্দা। তবে লেনদেন নিয়ে তাঁদের বিরোধ থাকায় গত কয়েক দিন ধরে বাঁধ দেওয়া খালের পানি সেচে মাছ ধরে নিয়ে যান ফেরদাউস। এরপর গতকাল স্থানীয়রা সড়কে ফাটল দেখে পানি সেচকার্যে বাধা দেন। তাদের কথা না শুনে পুনরায় সেচকাজ করলে সড়কের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাহবুব মিয়া বলেন, রাত ৩টার দিকে একটা শব্দ শুনতে পাই। এখানে এসে দেখি সড়কের বড় অংশ খালের মধ্যে ধসে পড়েছে। আরও অনেক জায়গায় ফাটল ধরেছে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, আমরা এই খালের পাড়ের অনেকগুলো পরিবার আতঙ্কে আছি। পানি সেচের কারণেই এটা হয়েছে। আমরা গ্রামবাসী এর প্রতিকার চাই।
ধানখালী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. হাসানুজ্জামান বলেন, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে কলেজে যেতে হয়। এটি ভেঙে গেলে আমাদের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
অভিযোগের বিষয় মোবাইল ফোনে ফেরদৌস বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। আমি সানীর কাছে টাকা পাব তাই আমার লোকজন দিয়ে ওই খালের মাছ ধরিয়েছি। তবে এ কারণে সড়ক ভাঙছে কিনা তা আমি জানি না।’
সানী বলেন, ‘আমার কথা না শুনে ফেরদৌস পানি সেচে মাছ ধরেছে। এ সড়ক ভেঙে পড়ার জন্য দায়ী ফেরদৌস।’
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কৌশিক আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি সরকারি খালের মাটি অবৈধভাবে কেটে নেওয়া হয়েছে। এ সড়কের প্রায় ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া-ধানখালী সড়কের বিভিন্ন স্থান ধসে গেছে। এ ছাড়া দেখা দিয়েছে ফাটল। পাশের খাল থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে নেওয়ায় সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
আজ শুক্রবার সরেজমিনে জানা গেছে, কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পূর্ব রজপাড়া খালে ধসে পড়েছে কলাপাড়া-ধানখালী সড়কের বিভিন্ন অংশ। ফাটল দেখা গেছে সড়কের বিভিন্ন অংশে। এতে খালের দুই পাড়ের বসবাসকারী বাসিন্দারা আতঙ্কে আছেন।
স্থানীয়রা জানান, গত বছর সরকারি খাল থেকে মাটি বিক্রির পর মাছ চাষ করের সানী ও ফেরদাউস নামের দুই প্রভাবশালী স্থানীয় বাসিন্দা। তবে লেনদেন নিয়ে তাঁদের বিরোধ থাকায় গত কয়েক দিন ধরে বাঁধ দেওয়া খালের পানি সেচে মাছ ধরে নিয়ে যান ফেরদাউস। এরপর গতকাল স্থানীয়রা সড়কে ফাটল দেখে পানি সেচকার্যে বাধা দেন। তাদের কথা না শুনে পুনরায় সেচকাজ করলে সড়কের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাহবুব মিয়া বলেন, রাত ৩টার দিকে একটা শব্দ শুনতে পাই। এখানে এসে দেখি সড়কের বড় অংশ খালের মধ্যে ধসে পড়েছে। আরও অনেক জায়গায় ফাটল ধরেছে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, আমরা এই খালের পাড়ের অনেকগুলো পরিবার আতঙ্কে আছি। পানি সেচের কারণেই এটা হয়েছে। আমরা গ্রামবাসী এর প্রতিকার চাই।
ধানখালী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. হাসানুজ্জামান বলেন, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে কলেজে যেতে হয়। এটি ভেঙে গেলে আমাদের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
অভিযোগের বিষয় মোবাইল ফোনে ফেরদৌস বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। আমি সানীর কাছে টাকা পাব তাই আমার লোকজন দিয়ে ওই খালের মাছ ধরিয়েছি। তবে এ কারণে সড়ক ভাঙছে কিনা তা আমি জানি না।’
সানী বলেন, ‘আমার কথা না শুনে ফেরদৌস পানি সেচে মাছ ধরেছে। এ সড়ক ভেঙে পড়ার জন্য দায়ী ফেরদৌস।’
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কৌশিক আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি সরকারি খালের মাটি অবৈধভাবে কেটে নেওয়া হয়েছে। এ সড়কের প্রায় ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১০ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে