দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়বাংলার পাদদেশে ও বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে ফুলের মালা পরানোর মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।
উপ-উপাচার্য ছাড়াও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টবৃন্দ, রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রলীগ, কর্মচারী পরিষদ, সৃজনী বিদ্যানিকেতন, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাঁধন, প্রেসক্লাব দুমকিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন।
সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে জয়বাংলা পাদদেশ থেকে বিজয় দিবসের শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে বিজয় দিবস প্যারেড স্কয়ারে এসে শেষ হয়। প্যারেড স্কয়ারে বিশ্ববিদ্যালয় ও সৃজনি বিদ্যানিকেতনের ছাত্রছাত্রীদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বিজয় দিবসের প্যারেড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন এবং তাদের বিভিন্ন ডিসপ্লে উপভোগ করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের রচনা প্রতিযোগিতা এবং সৃজনী বিদ্যানিকেতনে শিশুদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া, মন্দিরে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়বাংলার পাদদেশে ও বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে ফুলের মালা পরানোর মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত।
উপ-উপাচার্য ছাড়াও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টবৃন্দ, রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক, শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু কর্মকর্তা-কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ, বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রলীগ, কর্মচারী পরিষদ, সৃজনী বিদ্যানিকেতন, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, বাঁধন, প্রেসক্লাব দুমকিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন।
সকাল ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে জয়বাংলা পাদদেশ থেকে বিজয় দিবসের শোভাযাত্রা বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠে বিজয় দিবস প্যারেড স্কয়ারে এসে শেষ হয়। প্যারেড স্কয়ারে বিশ্ববিদ্যালয় ও সৃজনি বিদ্যানিকেতনের ছাত্রছাত্রীদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বিজয় দিবসের প্যারেড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন এবং তাদের বিভিন্ন ডিসপ্লে উপভোগ করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের রচনা প্রতিযোগিতা এবং সৃজনী বিদ্যানিকেতনে শিশুদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া, মন্দিরে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে