পঞ্চগড় প্রতিনিধি

‘চাকরির জন্য তদবির নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই হবে নিয়োগ’—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাঁটানো হয়েছে একটি পোস্টার, যেখানে লেখা রয়েছে, ‘চাকরির তদবিরের জন্য জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করা যাবে না। চাকরির জন্য তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং আওতাধীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সাধারণ প্রশাসনের ১১টি ক্যাটাগরিতে ৪৬টি শূন্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুলাই শুক্রবার সকাল ১০টায় পঞ্চগড় জেলা শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় প্রায় ৫০০০ জন চাকরি প্রত্যাশী অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা যায়।
জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেন, ‘সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও মেধার ভিত্তিতেই হবে চূড়ান্ত নির্বাচন। তদবিরের কোনো সুযোগ নেই।’
চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যেও এই সতর্ক বার্তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। পরীক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ডিসি স্যার যেটা করছেন সেটা খুবই ভালো। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের একটা বিশ্বাস তৈরি হচ্ছে যে, চাকরি পেতে এখন শুধু পড়ালেখা করলেই চলবে।’ আরেক পরীক্ষার্থী নিশাত তাসনিম বলেন, ‘এমন উদ্যোগ থাকলে সমাজে অন্যায়ভাবে চাকরি পাওয়ার প্রবণতা কমবে। যোগ্যদেরই সুযোগ মিলবে।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কেন্দ্রভিত্তিক সময়সূচি ও অন্যান্য নির্দেশনা জেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়েছে।
এ দিকে সতর্ক বার্তা ও প্রচারণা চালানোর কারণে পঞ্চগড়ের চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আশ্বাস তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন, অন্যান্য জেলাতেও এমন দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত।

‘চাকরির জন্য তদবির নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই হবে নিয়োগ’—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাঁটানো হয়েছে একটি পোস্টার, যেখানে লেখা রয়েছে, ‘চাকরির তদবিরের জন্য জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ করা যাবে না। চাকরির জন্য তদবির প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং আওতাধীন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সাধারণ প্রশাসনের ১১টি ক্যাটাগরিতে ৪৬টি শূন্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুলাই শুক্রবার সকাল ১০টায় পঞ্চগড় জেলা শহরের বিভিন্ন কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় প্রায় ৫০০০ জন চাকরি প্রত্যাশী অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা যায়।
জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেন, ‘সরকারি নিয়োগে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও মেধার ভিত্তিতেই হবে চূড়ান্ত নির্বাচন। তদবিরের কোনো সুযোগ নেই।’
চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যেও এই সতর্ক বার্তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। পরীক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ডিসি স্যার যেটা করছেন সেটা খুবই ভালো। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের একটা বিশ্বাস তৈরি হচ্ছে যে, চাকরি পেতে এখন শুধু পড়ালেখা করলেই চলবে।’ আরেক পরীক্ষার্থী নিশাত তাসনিম বলেন, ‘এমন উদ্যোগ থাকলে সমাজে অন্যায়ভাবে চাকরি পাওয়ার প্রবণতা কমবে। যোগ্যদেরই সুযোগ মিলবে।’
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য কেন্দ্রভিত্তিক সময়সূচি ও অন্যান্য নির্দেশনা জেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়েছে।
এ দিকে সতর্ক বার্তা ও প্রচারণা চালানোর কারণে পঞ্চগড়ের চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আশ্বাস তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন, অন্যান্য জেলাতেও এমন দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে