তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মহানন্দা নদীতে স্থানীয়দের জালে ধরা পড়েছে ৩২ কেজি ওজনের বাগাড় মাছ। শনিবার (২২ জুলাই) বিকেলে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকায় মহানন্দ নদীতে পাথরশ্রমিকদের জালে ধরা পড়ে মাছটি।
মাছটি বাড়িতে নিয়ে গেলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন দেখতে। অনেকেই মাছটি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে যাঁরা ধরেছেন তাঁরা মাছটি কেটে ভাগবাঁটোয়ারা করে নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকার ২৪ জন পাথরশ্রমিক ও কৃষক দল বেঁধে শখের বশে জাল দিয়ে মহানন্দা নদীতে মাছ ধরতে যান। এ সময় নদীতে জাল নিয়ে হাঁটার সময় মাছটি জালে আটকা পড়ে। দ্রুত মাছটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান তাঁরা। পরে সবাই মিলে ভাগ করে নেন।
এ বিষয়ে কথা হয় সেই মাছ ধরা দলে থাকা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়ই শখের বশে নদীতে মাছ ধরতে যাই। আজ দুপুরে মাছ ধরতে নেমে বিকেলের দিকে জালে বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। বাড়িতে এনে ভাগ করে নিয়েছি।’
মাছ শিকারি দলের তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ২৪ জন নদীতে মাছ ধরতে যাই। আমরা কেউ পাথর উত্তোলন, কেউ কৃষিশ্রমিক, কেউ দিনমজুর। আমরা জাল নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে যে এত বড় মাছ ধরতে পারব, কোনো দিন কল্পনা করিনি!’
আবু হাসান নামে আরেক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা যখন মাছটি বাড়িতে নিয়ে আসি, তখন অনেকেই দেখতে আসেন। কেনার আগ্রহ দেখান। কিন্তু শখ করে যেহেতু মাছটি ধরতে পারছি, তাই আমরা বিক্রি না করে নিজেরা কেটে ভাগ করে নিয়েছি।’
এদিকে মাছ দেখতে আসা মিলন হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেলাম সর্দারপাড়া এলাকায় একটি বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। তাই দেখতে এসেছি। আমরা মাছটি কয়েকজন মিলে কিনতে চাইলে তাঁরা বিক্রি করতে রাজি হননি।’

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মহানন্দা নদীতে স্থানীয়দের জালে ধরা পড়েছে ৩২ কেজি ওজনের বাগাড় মাছ। শনিবার (২২ জুলাই) বিকেলে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকায় মহানন্দ নদীতে পাথরশ্রমিকদের জালে ধরা পড়ে মাছটি।
মাছটি বাড়িতে নিয়ে গেলে স্থানীয়রা ছুটে আসেন দেখতে। অনেকেই মাছটি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে যাঁরা ধরেছেন তাঁরা মাছটি কেটে ভাগবাঁটোয়ারা করে নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এলাকার ২৪ জন পাথরশ্রমিক ও কৃষক দল বেঁধে শখের বশে জাল দিয়ে মহানন্দা নদীতে মাছ ধরতে যান। এ সময় নদীতে জাল নিয়ে হাঁটার সময় মাছটি জালে আটকা পড়ে। দ্রুত মাছটি ধরে বাড়িতে নিয়ে যান তাঁরা। পরে সবাই মিলে ভাগ করে নেন।
এ বিষয়ে কথা হয় সেই মাছ ধরা দলে থাকা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়ই শখের বশে নদীতে মাছ ধরতে যাই। আজ দুপুরে মাছ ধরতে নেমে বিকেলের দিকে জালে বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। বাড়িতে এনে ভাগ করে নিয়েছি।’
মাছ শিকারি দলের তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ২৪ জন নদীতে মাছ ধরতে যাই। আমরা কেউ পাথর উত্তোলন, কেউ কৃষিশ্রমিক, কেউ দিনমজুর। আমরা জাল নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে যে এত বড় মাছ ধরতে পারব, কোনো দিন কল্পনা করিনি!’
আবু হাসান নামে আরেক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা যখন মাছটি বাড়িতে নিয়ে আসি, তখন অনেকেই দেখতে আসেন। কেনার আগ্রহ দেখান। কিন্তু শখ করে যেহেতু মাছটি ধরতে পারছি, তাই আমরা বিক্রি না করে নিজেরা কেটে ভাগ করে নিয়েছি।’
এদিকে মাছ দেখতে আসা মিলন হোসেন বলেন, ‘আমরা খবর পেলাম সর্দারপাড়া এলাকায় একটি বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। তাই দেখতে এসেছি। আমরা মাছটি কয়েকজন মিলে কিনতে চাইলে তাঁরা বিক্রি করতে রাজি হননি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে