পঞ্চগড় প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ থেকে ‘প্রেমিকের’ সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে এক তরুণী (২২) পঞ্চগড়ের বোদা থানায় মামলা করছেন। গত শনিবার রাতে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন।
এদিকে ওই তরুণীর মামলার পর গতকাল রোববার রাতে বোদা থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মালেককে (২৪) গ্রেপ্তার করে। আজ সোমবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক বোদা পৌরসভার সিপাইপাড়া এলাকার মহিদুলের ছেলে। মামলার অপর আসামিরা হলেন বোদা সদর ইউনিয়নের প্রসাদ খাওয়া গ্রামের রহিদুলের ছেলে আপন (২৫), বামনপাড়া এলাকার সামসুদ্দীনের ছেলে আলমগীর (২২) ও একই এলাকার মকবুলের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৯ মাস আগে ওই তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় আব্দুল মালেকের। পরিচয়ের একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাসে গত শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে পঞ্চগড়ের বোদায় প্রেমিক আব্দুল মালেকের কাছে যান ওই তরুণী। ওই দিন রাতে তাঁকে অটোরিকশায় করে নিয়ে যাওয়া হয় প্রসাদ খাওয়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে। এ সময় অন্য আসামিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে গিয়ে বাসা ফাঁকা দেখতে পেয়ে ওই তরুণী চলে যেতে চান। এ সময় মালেক তাঁকে বিয়ের জন্য কাজির বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে একটি নির্জন এলাকায় (আমবাগানে) নিয়ে যান। সেখানে আসামিরা মুখ-হাত চেপে ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে ‘প্রেমিকের’ সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে এক তরুণী (২২) পঞ্চগড়ের বোদা থানায় মামলা করছেন। গত শনিবার রাতে ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন।
এদিকে ওই তরুণীর মামলার পর গতকাল রোববার রাতে বোদা থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মালেককে (২৪) গ্রেপ্তার করে। আজ সোমবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক বোদা পৌরসভার সিপাইপাড়া এলাকার মহিদুলের ছেলে। মামলার অপর আসামিরা হলেন বোদা সদর ইউনিয়নের প্রসাদ খাওয়া গ্রামের রহিদুলের ছেলে আপন (২৫), বামনপাড়া এলাকার সামসুদ্দীনের ছেলে আলমগীর (২২) ও একই এলাকার মকবুলের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৯ মাস আগে ওই তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় আব্দুল মালেকের। পরিচয়ের একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাসে গত শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে পঞ্চগড়ের বোদায় প্রেমিক আব্দুল মালেকের কাছে যান ওই তরুণী। ওই দিন রাতে তাঁকে অটোরিকশায় করে নিয়ে যাওয়া হয় প্রসাদ খাওয়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে। এ সময় অন্য আসামিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে গিয়ে বাসা ফাঁকা দেখতে পেয়ে ওই তরুণী চলে যেতে চান। এ সময় মালেক তাঁকে বিয়ের জন্য কাজির বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে একটি নির্জন এলাকায় (আমবাগানে) নিয়ে যান। সেখানে আসামিরা মুখ-হাত চেপে ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে