তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে দেশের শেষ প্রান্তের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায়। হিমালয় পর্বতের অনেক কাছে হওয়ায় উত্তরের হিম বাতাসের কারণে তাপমাত্রা কমছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, আজ সোমবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুম ও সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা উঠানামার কারণে সন্ধ্যা থেকে পর দিন সকাল পর্যন্ত হিমেল হাওয়া ও কুয়াশা ঢাকা থাকছে চারপাশ। তবে বেলার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের বেলা সূর্যের আলো দেখা যায় এবং গরম অনুভূত হয়। কয়েক দিনে শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়ার কারণে মানুষ গরম কাপড় পরছে।
এদিকে শীতকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে গরম কাপড় ও শীতের পিঠার দোকানগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে। পাশাপাশি ঠান্ডা ও গরম আবহাওয়ার কারণে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও শুরু হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া কার্যালয় বলছে, তবে চলতি মৌসুমে গত বছরের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই শীতের আমেজ শুরু হয়েছে। তবে তাপমাত্রা ডিসেম্বরের শেষের দিকে ও জানুয়ারির শুরুতে আরও হ্রাস পাবে এবং শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে।
এ বিষয় উপজেলার ভজনপুর এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। আমরা সন্ধ্যা হলেই গরম কাপড় পড়ে বের হচ্ছি। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কেউ খবর নেয় না। কিন্তু শীত কালে আমাদের অনেক কষ্ট হয়।’
এদিকে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, আমরা ইতিমধ্যে গরিব, অসহায় ও শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি। যেহেতু এ উপজেলায় প্রতি বছর শীতের তীব্রতা বেশি ও দীর্ঘস্থায়ী থাকে তাই কেউ যেন দুর্ভোগে না পড়ে তাই আমরা আগেভাগেই শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি।

শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে দেশের শেষ প্রান্তের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায়। হিমালয় পর্বতের অনেক কাছে হওয়ায় উত্তরের হিম বাতাসের কারণে তাপমাত্রা কমছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, আজ সোমবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুম ও সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা উঠানামার কারণে সন্ধ্যা থেকে পর দিন সকাল পর্যন্ত হিমেল হাওয়া ও কুয়াশা ঢাকা থাকছে চারপাশ। তবে বেলার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনের বেলা সূর্যের আলো দেখা যায় এবং গরম অনুভূত হয়। কয়েক দিনে শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়ার কারণে মানুষ গরম কাপড় পরছে।
এদিকে শীতকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে গরম কাপড় ও শীতের পিঠার দোকানগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে। পাশাপাশি ঠান্ডা ও গরম আবহাওয়ার কারণে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও শুরু হয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া কার্যালয় বলছে, তবে চলতি মৌসুমে গত বছরের তুলনায় ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই শীতের আমেজ শুরু হয়েছে। তবে তাপমাত্রা ডিসেম্বরের শেষের দিকে ও জানুয়ারির শুরুতে আরও হ্রাস পাবে এবং শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে।
এ বিষয় উপজেলার ভজনপুর এলাকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ছে। আমরা সন্ধ্যা হলেই গরম কাপড় পড়ে বের হচ্ছি। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কেউ খবর নেয় না। কিন্তু শীত কালে আমাদের অনেক কষ্ট হয়।’
এদিকে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, আমরা ইতিমধ্যে গরিব, অসহায় ও শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি। যেহেতু এ উপজেলায় প্রতি বছর শীতের তীব্রতা বেশি ও দীর্ঘস্থায়ী থাকে তাই কেউ যেন দুর্ভোগে না পড়ে তাই আমরা আগেভাগেই শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করেছি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৫ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে