বেড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার বেড়া পৌরসভার নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা অ্যাডভোকেট আশিফ শামস রঞ্জন ২১ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও চাচা আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬০ ভোট।
অপর তিন প্রার্থী মাসুদ ৩ হাজার ৪৭৯, কেএম আব্দুল্লাহ ৮১৭ এবং সাদিয়া আলম ২২৫ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে শতকরা ৭০ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন।
আজ রোববার কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ হয়। তবে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হওয়ায় ভোটাররা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখ করার মতো। নির্ধারিত সময়ের পরেও সন্ধ্যা পর্যন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের ভোট নেওয়া হয়।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অভিযোগ, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট প্রদানে সহায়তার নামে ভোটারদের প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট দানে বাধ্য করেছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তাঁরা।
এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বিজয়ী প্রার্থী রঞ্জন বলেন, ‘তাঁরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের লড়াইয়ে থেকেছেন। পরাজিত হয়ে তাঁদের এমন দাবি হাস্যকর। জনগণ তাদের আহ্বানে সাড়া দেননি। তাঁরা শান্তির জন্য নৌকা প্রতীককে বেছে নিয়েছেন।’
বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সবুর আলী বলেন, ‘নির্বাচনে অনিয়মের কোন লিখিত অভিযোগ কোন প্রার্থীর নিকট থেকে পায়নি। যেটুকু মৌখিক অভিযোগ প্রার্থীরা করেছেন সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিপুলসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

পাবনার বেড়া পৌরসভার নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা অ্যাডভোকেট আশিফ শামস রঞ্জন ২১ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ও চাচা আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬০ ভোট।
অপর তিন প্রার্থী মাসুদ ৩ হাজার ৪৭৯, কেএম আব্দুল্লাহ ৮১৭ এবং সাদিয়া আলম ২২৫ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে শতকরা ৭০ ভাগ ভোটার ভোট দিয়েছেন।
আজ রোববার কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ হয়। তবে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হওয়ায় ভোটাররা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখ করার মতো। নির্ধারিত সময়ের পরেও সন্ধ্যা পর্যন্ত কেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের ভোট নেওয়া হয়।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অভিযোগ, ইভিএমের মাধ্যমে ভোট প্রদানে সহায়তার নামে ভোটারদের প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে ভোট দানে বাধ্য করেছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তাঁরা।
এ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বিজয়ী প্রার্থী রঞ্জন বলেন, ‘তাঁরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের লড়াইয়ে থেকেছেন। পরাজিত হয়ে তাঁদের এমন দাবি হাস্যকর। জনগণ তাদের আহ্বানে সাড়া দেননি। তাঁরা শান্তির জন্য নৌকা প্রতীককে বেছে নিয়েছেন।’
বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সবুর আলী বলেন, ‘নির্বাচনে অনিয়মের কোন লিখিত অভিযোগ কোন প্রার্থীর নিকট থেকে পায়নি। যেটুকু মৌখিক অভিযোগ প্রার্থীরা করেছেন সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিপুলসংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে