পাবনা প্রতিনিধি

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর আলম (৬০) নামের এক সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার তাঁতিবন্দ ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজারের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার ভবানীপুর গ্রামের মৃত হাসান খন্দকারের ছেলে। তিনি ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে পাবনা সদর থানা থেকে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
আহতেরা হলেন, নিহত জাহাঙ্গীরের ভাই মতি খন্দকার, একই এলাকার আরফান মোল্লার ছেলে আয়েন উদ্দিন, নজিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিম। আহত বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এদের মধ্যে মতি খন্দকারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভবানীপুর গ্রামের সাবেক পুলিশ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম গ্রুপের সঙ্গে একই এলাকার আশরাফ আলী গ্রুপের মধ্যে স্থানীয় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ছাড়া মাস তিনেক আগে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির সামনে জুয়া খেলছিল আশরাফ আলী গ্রুপের লোকজন। তিনি পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ গিয়ে কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে যায়। এ নিয়েও বিরোধ ছিল।
এসব ঘটনার জেরে সোমবার দুপুরে উভয় গ্রুপের লোকজন বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্র ঘাতে জাহাঙ্গীর আলম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সংঘর্ষে জাহাঙ্গীরের ভাই মতি খন্দকারসহ অন্তত ১০ আহত হন। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মতি খন্দকারের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, এখানে চরমপন্থীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সুজানগর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, হত্যার সঠিক কারণ জানা যায়নি। পুলিশ সঠিক কারণ জানতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। সেই সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
নিহতের ছেলে জুবায়ের খন্দকারের দাবি, হামলাকারীরা চরমপন্থী দলের সদস্য। অবসর গ্রহণের পর এলাকার জুয়া খেলা নিয়ে প্রতিবাদ করে ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। পরে তিনি পেনশনের টাকা দিয়ে নতুন বাড়ি করতে গেলে চরমপন্থীরা ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। জুয়া খেলা ও চাঁদাবাজি নিয়েই এলাকার চরমপন্থী হিসেবে পরিচিত আশরাফ, জসিম মাস্টার, রাজা, সুমন, সোবহানসহ কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলছিল।

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে জাহাঙ্গীর আলম (৬০) নামের এক সাবেক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার তাঁতিবন্দ ইউনিয়নের বনগ্রাম বাজারের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার ভবানীপুর গ্রামের মৃত হাসান খন্দকারের ছেলে। তিনি ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে পাবনা সদর থানা থেকে পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
আহতেরা হলেন, নিহত জাহাঙ্গীরের ভাই মতি খন্দকার, একই এলাকার আরফান মোল্লার ছেলে আয়েন উদ্দিন, নজিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিম। আহত বাকিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এদের মধ্যে মতি খন্দকারের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভবানীপুর গ্রামের সাবেক পুলিশ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম গ্রুপের সঙ্গে একই এলাকার আশরাফ আলী গ্রুপের মধ্যে স্থানীয় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ছাড়া মাস তিনেক আগে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির সামনে জুয়া খেলছিল আশরাফ আলী গ্রুপের লোকজন। তিনি পুলিশকে ফোন করলে পুলিশ গিয়ে কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে যায়। এ নিয়েও বিরোধ ছিল।
এসব ঘটনার জেরে সোমবার দুপুরে উভয় গ্রুপের লোকজন বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্র ঘাতে জাহাঙ্গীর আলম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সংঘর্ষে জাহাঙ্গীরের ভাই মতি খন্দকারসহ অন্তত ১০ আহত হন। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মতি খন্দকারের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, এখানে চরমপন্থীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সুজানগর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম জানান, হত্যার সঠিক কারণ জানা যায়নি। পুলিশ সঠিক কারণ জানতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। সেই সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
নিহতের ছেলে জুবায়ের খন্দকারের দাবি, হামলাকারীরা চরমপন্থী দলের সদস্য। অবসর গ্রহণের পর এলাকার জুয়া খেলা নিয়ে প্রতিবাদ করে ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। পরে তিনি পেনশনের টাকা দিয়ে নতুন বাড়ি করতে গেলে চরমপন্থীরা ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। জুয়া খেলা ও চাঁদাবাজি নিয়েই এলাকার চরমপন্থী হিসেবে পরিচিত আশরাফ, জসিম মাস্টার, রাজা, সুমন, সোবহানসহ কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলছিল।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে