পাবনা প্রতিনিধি

পাবনা-১ (বেড়া আংশিক-সাঁথিয়া) সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে বেড়া উপজেলায় রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সন্ধ্যা হরতাল চলছে। সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির ডাকে সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে হরতাল। সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত চলবে। হরতাল চলাকালে বেড়া পৌর সদরের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বেড়ায় সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আলহাজ ফজলুর রহমান ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই হরতালের ডাক দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনের চূড়ান্ত সীমানার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত পাবনা-১ আসন সংশোধন করে শুধু সাঁথিয়া উপজেলাকে পাবনা-১ আসন করা হয়েছে এবং পাবনা-২ আসনের (সুজানগর ও বেড়া উপজেলার একাংশ) সঙ্গে বেড়া উপজেলাকে পুরোপুরি সংযুক্ত করা হয়েছে।
তার পর থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বেড়া উপজেলাবাসী। তারা পাবনা-১ (সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার আংশিক) সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক দুই ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে শুধু সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-১ আসন আলাদা করা হয়েছে। আর বেড়া উপজেলাকে পৃথক করে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু বেড়া উপজেলার জনগণের ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু সাঁথিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
বেড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান ফকির বলেন, ‘আমরা ৫০ বছর ধরে পাবনা-১ আসন সাঁথিয়ার সঙ্গে বেড়া উপজেলা মিলেমিশে আছি। দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন এটি। অথচ কী কারণে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলাকে বাদ দিয়ে আমাদের পাবনা-২ আসনের সঙ্গে দেওয়া হলো তা বোধগম্য নয়। আমরা এটা মানি না। অবিলম্বে গেজেট বাতিল করে পাবনা-১ আসনকে পুনর্বহাল করতে হবে।’

পাবনা-১ (বেড়া আংশিক-সাঁথিয়া) সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে বেড়া উপজেলায় রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সন্ধ্যা হরতাল চলছে। সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির ডাকে সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে হরতাল। সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত চলবে। হরতাল চলাকালে বেড়া পৌর সদরের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বেড়ায় সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আলহাজ ফজলুর রহমান ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই হরতালের ডাক দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ আগস্ট ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য ৩০০ আসনের চূড়ান্ত সীমানার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত পাবনা-১ আসন সংশোধন করে শুধু সাঁথিয়া উপজেলাকে পাবনা-১ আসন করা হয়েছে এবং পাবনা-২ আসনের (সুজানগর ও বেড়া উপজেলার একাংশ) সঙ্গে বেড়া উপজেলাকে পুরোপুরি সংযুক্ত করা হয়েছে।
তার পর থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বেড়া উপজেলাবাসী। তারা পাবনা-১ (সাঁথিয়া ও বেড়া উপজেলার আংশিক) সংসদীয় আসন পুনর্বহালের দাবিতে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক দুই ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে শুধু সাঁথিয়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-১ আসন আলাদা করা হয়েছে। আর বেড়া উপজেলাকে পৃথক করে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু বেড়া উপজেলার জনগণের ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু সাঁথিয়ার সঙ্গে যুক্ত। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।’
বেড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান ফকির বলেন, ‘আমরা ৫০ বছর ধরে পাবনা-১ আসন সাঁথিয়ার সঙ্গে বেড়া উপজেলা মিলেমিশে আছি। দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন এটি। অথচ কী কারণে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলাকে বাদ দিয়ে আমাদের পাবনা-২ আসনের সঙ্গে দেওয়া হলো তা বোধগম্য নয়। আমরা এটা মানি না। অবিলম্বে গেজেট বাতিল করে পাবনা-১ আসনকে পুনর্বহাল করতে হবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে