প্রতিনিধি, পাবনা

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের অফিস কক্ষে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারকে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।
এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের ২০ ঘণ্টা পর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। অভিযুক্ত নয়ন পাবনা পৌর এলাকার চকছাতিয়ানী মহল্লার মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, 'মারধরের শিকার গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে সোমবার সন্ধ্যার পর লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। পরে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলায় মঙ্গলবার বিকেলে অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) ডেভিট হিমাদ্রি বর্মাকে। অভিযুক্ত ঠিকাদারকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। আশা করছি খুব শিগগিরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।'
সরকারি কর্মকর্তার অফিসে ঢুকে গায়ে হাত দেওয়াকে দুঃখজনক ঘটনা বলে উল্লেখ করে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বলেন, 'আমরা আইনগতভাবে এর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কাজ করছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ওই ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার মোকছেদুল আলম নয়ন বলেন, 'মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা হয়েছে। এটা নিছক একটা ভুল-বোঝাবুঝি। তদন্তের মাধ্যমেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হওয়ার আশা করছি।
প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার দুপুরে কার্যালয়ে ঢুকে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে প্রভাবশালী ঠিকাদার নয়নের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই প্রকৌশলী।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের অফিস কক্ষে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারকে মারধরের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।
এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের ২০ ঘণ্টা পর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলায় আজ মঙ্গলবার বিকেলে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। অভিযুক্ত নয়ন পাবনা পৌর এলাকার চকছাতিয়ানী মহল্লার মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, 'মারধরের শিকার গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে সোমবার সন্ধ্যার পর লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন। পরে প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা মেলায় মঙ্গলবার বিকেলে অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) ডেভিট হিমাদ্রি বর্মাকে। অভিযুক্ত ঠিকাদারকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন। আশা করছি খুব শিগগিরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।'
সরকারি কর্মকর্তার অফিসে ঢুকে গায়ে হাত দেওয়াকে দুঃখজনক ঘটনা বলে উল্লেখ করে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বলেন, 'আমরা আইনগতভাবে এর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কাজ করছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ওই ঠিকাদারের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার মোকছেদুল আলম নয়ন বলেন, 'মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও উত্তেজনা হয়েছে। এটা নিছক একটা ভুল-বোঝাবুঝি। তদন্তের মাধ্যমেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হওয়ার আশা করছি।
প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার দুপুরে কার্যালয়ে ঢুকে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুস সাত্তারকে মারধরের অভিযোগ ওঠে প্রভাবশালী ঠিকাদার নয়নের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই প্রকৌশলী।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে