হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়ায় গাছের সঙ্গে বেঁধে সম্রাট আকবর নামের ছাত্রদলের সাবেক এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় জরুরি সহায়তার ৯৯৯ নম্বরে ফোনকল পেয়ে তাঁকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য জসিম উদ্দিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিরবিরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সম্রাট আকবর জাহাজমারা ইউনিয়নের পূর্ববিরবিরি গ্রামের ইমাম হোসেনের ছেলে। তিনি জাহাজমারা ইউনিয়ন পূর্ব শাখার ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। বর্তমান ইউনিয়ন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন জাহাজমারা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। তিনি বিরবিরি গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। জসিমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দখলদারি, চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষকে নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জসিমের বাড়িতে সম্রাটকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে পেটানো হচ্ছিল। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করতে গেলে জসিমের লোকজন তাঁদের বাধা দেন। পরে তাঁর স্বজনেরা ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে সহযোগিতা চাইলে জাহাজমারা ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা এসে আহত অবস্থায় সম্রাটকে উদ্ধার করেন।
সম্রাটের মা মরিয়ম নেছা বলেন, ‘জসিম মেম্বারের বাড়ি আমাদের বাড়ির কাছাকাছি। তিনি আমার ছেলেকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পেটাচ্ছিলেন। সংবাদ পেয়ে আমরা সেখানে গেলে জসিমের লোকজন বাধা দেন। ছেলে আর্তনাদ করলেও কিছুই করতে পারছিলাম না। পরে পুলিশ এসে ছেলেকে উদ্ধার করলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। ছেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
আহত সম্রাট বলেন, ‘জসিমের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতবিরোধ রয়েছে। আমি আমার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে বাড়িতে ফিরছিলাম। জসিমের বাড়ির সামনে দিয়ে ফেরার সময় তাঁর সঙ্গে আমার দেখা হয়। সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিমের লোকজন আমার ওপর আক্রমণ করে। তারা আমাকে ওই বাড়িতে ধরে নিয়ে গিয়ে গাছের সঙ্গে আমার হাত-পা বেঁধে রাখে। এরপর জসিম লাঠি দিয়ে আমাকে বেদম পেটাতে থাকেন। একপর্যায়ে লাঠি ভেঙে গেলে বিদ্যুতের মোটা তার দিয়ে পেটান। আমার হাত ভেঙে গেছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জসিম বলেন, ‘ঘটনাটি সঠিক নয়।’ তবে পুলিশ আহত ব্যক্তিকে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে কীভাবে—এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
হাতিয়া থানার জাহাজমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. খোরশেদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘৯৯৯ নম্বর থেকে ফোনকল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। জসিমের বাড়ি থেকে আহত অবস্থায় সম্রাটকে উদ্ধার করা হয়। তাঁকে তাঁর স্বজনদের মাধ্যমে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে জসিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নোয়াখালীর হাতিয়ায় গাছের সঙ্গে বেঁধে সম্রাট আকবর নামের ছাত্রদলের সাবেক এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় জরুরি সহায়তার ৯৯৯ নম্বরে ফোনকল পেয়ে তাঁকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য জসিম উদ্দিনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিরবিরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সম্রাট আকবর জাহাজমারা ইউনিয়নের পূর্ববিরবিরি গ্রামের ইমাম হোসেনের ছেলে। তিনি জাহাজমারা ইউনিয়ন পূর্ব শাখার ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। বর্তমান ইউনিয়ন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন জাহাজমারা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। তিনি বিরবিরি গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। জসিমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দখলদারি, চাঁদাবাজি, সাধারণ মানুষকে নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জসিমের বাড়িতে সম্রাটকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে পেটানো হচ্ছিল। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করতে গেলে জসিমের লোকজন তাঁদের বাধা দেন। পরে তাঁর স্বজনেরা ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে সহযোগিতা চাইলে জাহাজমারা ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা এসে আহত অবস্থায় সম্রাটকে উদ্ধার করেন।
সম্রাটের মা মরিয়ম নেছা বলেন, ‘জসিম মেম্বারের বাড়ি আমাদের বাড়ির কাছাকাছি। তিনি আমার ছেলেকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পেটাচ্ছিলেন। সংবাদ পেয়ে আমরা সেখানে গেলে জসিমের লোকজন বাধা দেন। ছেলে আর্তনাদ করলেও কিছুই করতে পারছিলাম না। পরে পুলিশ এসে ছেলেকে উদ্ধার করলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। ছেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
আহত সম্রাট বলেন, ‘জসিমের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতবিরোধ রয়েছে। আমি আমার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে বাড়িতে ফিরছিলাম। জসিমের বাড়ির সামনে দিয়ে ফেরার সময় তাঁর সঙ্গে আমার দেখা হয়। সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিমের লোকজন আমার ওপর আক্রমণ করে। তারা আমাকে ওই বাড়িতে ধরে নিয়ে গিয়ে গাছের সঙ্গে আমার হাত-পা বেঁধে রাখে। এরপর জসিম লাঠি দিয়ে আমাকে বেদম পেটাতে থাকেন। একপর্যায়ে লাঠি ভেঙে গেলে বিদ্যুতের মোটা তার দিয়ে পেটান। আমার হাত ভেঙে গেছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জসিম বলেন, ‘ঘটনাটি সঠিক নয়।’ তবে পুলিশ আহত ব্যক্তিকে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে কীভাবে—এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
হাতিয়া থানার জাহাজমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. খোরশেদ আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘৯৯৯ নম্বর থেকে ফোনকল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। জসিমের বাড়ি থেকে আহত অবস্থায় সম্রাটকে উদ্ধার করা হয়। তাঁকে তাঁর স্বজনদের মাধ্যমে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে জসিমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে