প্রতিনিধি, নোয়াখালী

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও চাটখিল উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নোয়াখালীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে এক, হোম আইসোলেশনে দুই ও ঢাকা নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫২। এদিকে জেলায় নতুন করে আরও ১৪২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আজ শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার।
ডা. মাসুম ইফতেখার জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেলার বেগমগঞ্জে দুই ও চাটখিল উপজেলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার তিনটি পিসিআর ল্যাবে ৪৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৪২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১২ হাজার ৩০৩। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৫২ আর সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৭৫৩ জন রোগী। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৪ হাজার ৩৯৯ জন। শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮০ জন রোগী। জেলায় সংক্রমণের হার কমাতে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। জনসচেতনতায় মাইকিং ও প্রচার–প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এদিকে লকডাউনের শুরু থেকে জেলায় কঠোরতা থাকলেও বর্তমানে ঢিলেঢালাভাবে চলছে লকডাউন। পৌর এলাকায় মানুষের উপস্থিতি কম থাকলেও বাইরের বাজারগুলোতে মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করার মতো। সড়কে বেড়েছে মানুষ ও যানবাহন। গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ দোকানপাট খোলা। মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি কাজ করছেন সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীর ও স্কাউটের সদস্যরা। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। লকডাউন অমান্য করায় বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৬৩ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. খোরশেদ আলম খান জানান, লকডাউন কার্যকর ও জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে জেলার বিভিন্ন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালান। অভিযানকালে আইন অমান্যকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৯১টি মামলায় ৬৩ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও চাটখিল উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নোয়াখালীর কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে এক, হোম আইসোলেশনে দুই ও ঢাকা নেওয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫২। এদিকে জেলায় নতুন করে আরও ১৪২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আজ শুক্রবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার।
ডা. মাসুম ইফতেখার জানান, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জেলার বেগমগঞ্জে দুই ও চাটখিল উপজেলায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার তিনটি পিসিআর ল্যাবে ৪৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৪২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১২ হাজার ৩০৩। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৫২ আর সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৭৫৩ জন রোগী। বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৪ হাজার ৩৯৯ জন। শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৮০ জন রোগী। জেলায় সংক্রমণের হার কমাতে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। জনসচেতনতায় মাইকিং ও প্রচার–প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এদিকে লকডাউনের শুরু থেকে জেলায় কঠোরতা থাকলেও বর্তমানে ঢিলেঢালাভাবে চলছে লকডাউন। পৌর এলাকায় মানুষের উপস্থিতি কম থাকলেও বাইরের বাজারগুলোতে মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করার মতো। সড়কে বেড়েছে মানুষ ও যানবাহন। গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ দোকানপাট খোলা। মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি কাজ করছেন সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীর ও স্কাউটের সদস্যরা। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। লকডাউন অমান্য করায় বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৬৩ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. খোরশেদ আলম খান জানান, লকডাউন কার্যকর ও জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে জেলার বিভিন্ন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালান। অভিযানকালে আইন অমান্যকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ৯১টি মামলায় ৬৩ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১২ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৬ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২১ মিনিট আগে