নোয়াখালী প্রতিনিধি

কুমিল্লায় মূর্তির কোলে কোরআন শরিফ রাখাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা চারটি মামলায় অভিযুক্ত সেই ইকবালকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। সিআইডির আবেদনের ভিত্তিতে এই গ্রেপ্তারের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। বর্তমানে ইকবালকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে রাখা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইকবালের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করা হয়। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইকবাল। এ ঘটনার মামলাগুলো হচ্ছে বেগমগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-২৭, ১৯ ও ৩১ এবং কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা নম্বর ১৪।
জেলা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলম বলেন, চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা তিনটি এবং কোম্পানীগঞ্জে মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাগুলো সিআইডি নোয়াখালী তদন্ত করেছে। বেগমগঞ্জের তিনটি মামলায় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সোনিয়া আক্তার এবং কোম্পানীগঞ্জের মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদ আসামি মো. ইকবালের উপস্থিতিতে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন।
সিআইডি নোয়াখালীর বিশেষ পুলিশ সুপার মো. বশির আহমেদ জানান, চারটি মামলায় আসামি ইকবালের গ্রেপ্তার চেয়ে আবেদন করে সকালে তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। যে চারটি মামলায় আসামি ইকবালকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তা সিএআইডির পৃথক চারজন্য কর্মকর্তা আলাদা তদন্ত করছেন।
প্রসঙ্গত, বেগমগঞ্জে পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় ১৩ মামলার মধ্যে ছয়টি সিআইডি ও ছয়টি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং আরও একটি বেগমগঞ্জ থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। গত বছরের (২০২১ সালের) ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে ১৫ অক্টোবর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নোয়াখালীর চৌমুহনী শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে কয়েক হাজার মুসল্লি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হন। পরে হিন্দুদের পূজামণ্ডপ, দোকানপাট ও মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলায় ইসকনের ভক্ত যতন সাহা (৪২) ও প্রান্ত চন্দ্র দাস (২৬) নিহত হন। আহত হন পুলিশের চার সদস্যসহ অর্ধশতাধিক।

কুমিল্লায় মূর্তির কোলে কোরআন শরিফ রাখাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা চারটি মামলায় অভিযুক্ত সেই ইকবালকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত। সিআইডির আবেদনের ভিত্তিতে এই গ্রেপ্তারের আবেদন মঞ্জুর করা হয়। বর্তমানে ইকবালকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে রাখা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইকবালের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করা হয়। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইকবাল। এ ঘটনার মামলাগুলো হচ্ছে বেগমগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-২৭, ১৯ ও ৩১ এবং কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা নম্বর ১৪।
জেলা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলম বলেন, চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা তিনটি এবং কোম্পানীগঞ্জে মন্দিরে হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাগুলো সিআইডি নোয়াখালী তদন্ত করেছে। বেগমগঞ্জের তিনটি মামলায় অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সোনিয়া আক্তার এবং কোম্পানীগঞ্জের মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমদাদ আসামি মো. ইকবালের উপস্থিতিতে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন।
সিআইডি নোয়াখালীর বিশেষ পুলিশ সুপার মো. বশির আহমেদ জানান, চারটি মামলায় আসামি ইকবালের গ্রেপ্তার চেয়ে আবেদন করে সকালে তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। যে চারটি মামলায় আসামি ইকবালকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তা সিএআইডির পৃথক চারজন্য কর্মকর্তা আলাদা তদন্ত করছেন।
প্রসঙ্গত, বেগমগঞ্জে পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনায় ১৩ মামলার মধ্যে ছয়টি সিআইডি ও ছয়টি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং আরও একটি বেগমগঞ্জ থানায় তদন্তাধীন রয়েছে। গত বছরের (২০২১ সালের) ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে ১৫ অক্টোবর শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নোয়াখালীর চৌমুহনী শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে কয়েক হাজার মুসল্লি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হন। পরে হিন্দুদের পূজামণ্ডপ, দোকানপাট ও মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলায় ইসকনের ভক্ত যতন সাহা (৪২) ও প্রান্ত চন্দ্র দাস (২৬) নিহত হন। আহত হন পুলিশের চার সদস্যসহ অর্ধশতাধিক।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে