সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরিহিত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার দুই ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। এতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে সেনবাগের ডমুরুয়া ইউনিয়নের বাবুপুর শ্রীপুর (ছিলোনীয়ায়) এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় সেনবাগ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতরা হলেন, সেনবাগ থানার সহকারী পরিদর্শক (এসআই) আল আমিন, উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্রীবাস চন্দ্র দে, কনস্টেবল রনি বড়ুয়া, গ্রাম পুলিশ আবদুল মন্নান, গ্রাম পুলিশ সুজন পাল।
এদিকে পলাতক আসামির নাম মনির হোসেন (৩৫)। তিনি বাবুপুর শ্রীপুরের (ছিলোনীয়া) নুর মোহাম্মদ প্রকাশ রুকু মিয়ার ছেলে।
এদিকে ঘটনার দিন রাতেই পুলিশের কয়েকটি টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার চাদপুর থেকে হাতকড়াসহ পলাতক আসামি মনির হোসেনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে আসামি মনির হোসেনকে নোয়াখালীর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আহত সহকারী পরিদর্শক আল আমিন আজকের পত্রিকাকে জানান, তেজগাঁও থানার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক মনির হোসেনকে স্থানীয় ইসহাক মিয়ার চা দোকান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মহিন উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের মেম্বার হোসনেয়ারার নেতৃত্বে ৪০ / ৫০ জন উচ্ছৃঙ্খল লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরিহিত আসামিকে ছিনিয়ে নেন। দুজন প্রতিনিধি পুলিশকে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় কার পারমিশনে পুলিশ এ এলাকায় এসেছেন জানতে চান তাঁরা।
স্থানীয় একাধিক সূত্র আজকের পত্রিকাকে জানান, সেনবাগের উত্তর জনপদের মাদক সম্রাজ্ঞী হোসনেয়ারার নেতৃত্বে মাদক কেনা-বেচাসহ নানা অপরাধ গড়ে উঠেছে। স্থানীয় লোকজন এ ব্যাপারে মানববন্ধন করলে একাধিকবার হোসনেয়ারাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জেল থেকে বের হয়ে মহিন উদ্দিন কসাই মহিনকে বিয়ে করেন হোসনেয়ারা। সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ডমুরুয়া ইউনিয়নের বাবুপুর শ্রীপুর ওয়ার্ড থেকে সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী দুজনই জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারি আজকের পত্রিকাকে জানান, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হ্যান্ডকাপ পরিহিত অবস্থায় পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অপরাধে ১০ জন নামীয়সহ অজ্ঞাত ২৫ / ৩০ জনকে আসামি করে সেনবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে।

নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরিহিত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার দুই ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। এতে পুলিশ কর্মকর্তাসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার বিকেলে সেনবাগের ডমুরুয়া ইউনিয়নের বাবুপুর শ্রীপুর (ছিলোনীয়ায়) এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় সেনবাগ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতরা হলেন, সেনবাগ থানার সহকারী পরিদর্শক (এসআই) আল আমিন, উপপরিদর্শক (এএসআই) শ্রীবাস চন্দ্র দে, কনস্টেবল রনি বড়ুয়া, গ্রাম পুলিশ আবদুল মন্নান, গ্রাম পুলিশ সুজন পাল।
এদিকে পলাতক আসামির নাম মনির হোসেন (৩৫)। তিনি বাবুপুর শ্রীপুরের (ছিলোনীয়া) নুর মোহাম্মদ প্রকাশ রুকু মিয়ার ছেলে।
এদিকে ঘটনার দিন রাতেই পুলিশের কয়েকটি টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার চাদপুর থেকে হাতকড়াসহ পলাতক আসামি মনির হোসেনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে আসামি মনির হোসেনকে নোয়াখালীর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আহত সহকারী পরিদর্শক আল আমিন আজকের পত্রিকাকে জানান, তেজগাঁও থানার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক মনির হোসেনকে স্থানীয় ইসহাক মিয়ার চা দোকান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য মহিন উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের মেম্বার হোসনেয়ারার নেতৃত্বে ৪০ / ৫০ জন উচ্ছৃঙ্খল লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরিহিত আসামিকে ছিনিয়ে নেন। দুজন প্রতিনিধি পুলিশকে হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় কার পারমিশনে পুলিশ এ এলাকায় এসেছেন জানতে চান তাঁরা।
স্থানীয় একাধিক সূত্র আজকের পত্রিকাকে জানান, সেনবাগের উত্তর জনপদের মাদক সম্রাজ্ঞী হোসনেয়ারার নেতৃত্বে মাদক কেনা-বেচাসহ নানা অপরাধ গড়ে উঠেছে। স্থানীয় লোকজন এ ব্যাপারে মানববন্ধন করলে একাধিকবার হোসনেয়ারাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জেল থেকে বের হয়ে মহিন উদ্দিন কসাই মহিনকে বিয়ে করেন হোসনেয়ারা। সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ডমুরুয়া ইউনিয়নের বাবুপুর শ্রীপুর ওয়ার্ড থেকে সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী দুজনই জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারি আজকের পত্রিকাকে জানান, পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হ্যান্ডকাপ পরিহিত অবস্থায় পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অপরাধে ১০ জন নামীয়সহ অজ্ঞাত ২৫ / ৩০ জনকে আসামি করে সেনবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে