নোয়াখালী প্রতিনিধি

চিকিৎসক-নার্স, শয্যা ও সরঞ্জাম সংকট নিরসনসহ আট দফা দাবিতে নোয়াখালী সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন হাতিয়া উপজেলার বাসিন্দারা। এ সময় তাঁরা সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন হাতিয়ার বাসিন্দারা। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা জান্নাতুন নাঈম কেয়ার নেতৃত্বে একদল প্রতিনিধি এসে আগামী এক মাসের মধ্যে দাবি পূরণের জন্য সময় নিলে আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
আন্দোলনকারীরা জানান, হাতিয়া নোয়াখালীর একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এখানে প্রায় আট লাখ মানুষের বসবাস। ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছেন মাত্র ছয়জন চিকিৎসক। দীর্ঘ বছর ধরে দ্বীপটির স্বাস্থ্যসেবায় চরম অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসক সংকট চলে এলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অবস্থান কর্মসূচিতে আসা কয়েকজন বলেন, ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় সাধারণ মানুষ ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা থেকেও বঞ্চিত। কোনো রোগী সামান্য জটিলতায় পড়লেও দ্বীপ থেকে জেলা শহর বা চট্টগ্রাম বা ঢাকায় যেতে হয়। আবহাওয়া খারাপ থাকলে বা যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকলে যা অনেক সময় সম্ভব হয় না। এখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তো দূরের কথা, সাধারণ চিকিৎসকও মিলছে না। প্রসূতি চিকিৎসক না থাকায় প্রসূতি মায়েদের নানা জটিলতায় পড়তে হয়। প্রসবের সময় মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। চিকিৎসাসেবা না পেয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা জান্নাতুন নাঈম কেয়ার নেতৃত্বে জেলা সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিদল আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করে এবং সমস্যা সমাধানে এক মাস সময় নেয়। এ সময় প্রতিবাদকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এক মাসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন হাতিয়ার সাধারণ মানুষ।

চিকিৎসক-নার্স, শয্যা ও সরঞ্জাম সংকট নিরসনসহ আট দফা দাবিতে নোয়াখালী সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন হাতিয়া উপজেলার বাসিন্দারা। এ সময় তাঁরা সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন হাতিয়ার বাসিন্দারা। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা জান্নাতুন নাঈম কেয়ার নেতৃত্বে একদল প্রতিনিধি এসে আগামী এক মাসের মধ্যে দাবি পূরণের জন্য সময় নিলে আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
আন্দোলনকারীরা জানান, হাতিয়া নোয়াখালীর একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। এখানে প্রায় আট লাখ মানুষের বসবাস। ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছেন মাত্র ছয়জন চিকিৎসক। দীর্ঘ বছর ধরে দ্বীপটির স্বাস্থ্যসেবায় চরম অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসক সংকট চলে এলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অবস্থান কর্মসূচিতে আসা কয়েকজন বলেন, ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় সাধারণ মানুষ ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা থেকেও বঞ্চিত। কোনো রোগী সামান্য জটিলতায় পড়লেও দ্বীপ থেকে জেলা শহর বা চট্টগ্রাম বা ঢাকায় যেতে হয়। আবহাওয়া খারাপ থাকলে বা যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকলে যা অনেক সময় সম্ভব হয় না। এখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তো দূরের কথা, সাধারণ চিকিৎসকও মিলছে না। প্রসূতি চিকিৎসক না থাকায় প্রসূতি মায়েদের নানা জটিলতায় পড়তে হয়। প্রসবের সময় মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। চিকিৎসাসেবা না পেয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা জান্নাতুন নাঈম কেয়ার নেতৃত্বে জেলা সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিদল আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করে এবং সমস্যা সমাধানে এক মাস সময় নেয়। এ সময় প্রতিবাদকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এক মাসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন হাতিয়ার সাধারণ মানুষ।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৭ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে