সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে বিএনপির রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। এই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির দুজনই আগামী নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।
গতকাল শুক্রবার চর আমানউল্লাহ ইউনিয়নের বৈরাগী বাজারে এক সভায় প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে উসকানি ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপির আবুল বাশার বাবুল। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং মো. শাহজাহান গ্রুপের সমর্থক বলে জানা গেছে।
এ সময় আবুল বাশার বাবুল বলেন, ‘তোদের ডাইরেক্ট বলি দিয়ের, নালাটালা (পা) কুচা (কেটে) করি ফালামু, একদম কুচা করি ফালামু। এই এলাকায় ভোট করমু আমরা, আমরা, আমরা।’
আবুল বাশার বাবুল আরও বলেন, ‘মো. শাহজাহানের পক্ষ থেকে ভোট করব। আমাদের নেতারা যেই নির্দেশ দেবেন, আমরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। কারণ, আমরা আলহাজ মো. শাহজাহানের সৈনিক।’
আবুল বাশারের এই বক্তব্যর পর স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা বলেন, ১৬ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম যারা করেছে, উনি তাদের হুমকি দিয়েছেন। এই উসকানিমূলক বক্তব্যের জন্য যদি তিনি ক্ষমা না চান, তাহলে ক্ষোভের কারণে কোনোরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার তাঁকেই নিতে হবে।
এ বিষয়ে কথা বলতে বিএনপির নেতা আবুল বাশার বাবুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ বি এম জাকারিয়া বলেন, ‘এ রকম বক্তব্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে না, সরাসরি দলের বিরুদ্ধে। আমরা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে বিএনপির রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে। এই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির দুজনই আগামী নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী।
গতকাল শুক্রবার চর আমানউল্লাহ ইউনিয়নের বৈরাগী বাজারে এক সভায় প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে উসকানি ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন স্থানীয় বিএনপির আবুল বাশার বাবুল। তিনি ওই ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং মো. শাহজাহান গ্রুপের সমর্থক বলে জানা গেছে।
এ সময় আবুল বাশার বাবুল বলেন, ‘তোদের ডাইরেক্ট বলি দিয়ের, নালাটালা (পা) কুচা (কেটে) করি ফালামু, একদম কুচা করি ফালামু। এই এলাকায় ভোট করমু আমরা, আমরা, আমরা।’
আবুল বাশার বাবুল আরও বলেন, ‘মো. শাহজাহানের পক্ষ থেকে ভোট করব। আমাদের নেতারা যেই নির্দেশ দেবেন, আমরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। কারণ, আমরা আলহাজ মো. শাহজাহানের সৈনিক।’
আবুল বাশারের এই বক্তব্যর পর স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা বলেন, ১৬ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম যারা করেছে, উনি তাদের হুমকি দিয়েছেন। এই উসকানিমূলক বক্তব্যের জন্য যদি তিনি ক্ষমা না চান, তাহলে ক্ষোভের কারণে কোনোরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার তাঁকেই নিতে হবে।
এ বিষয়ে কথা বলতে বিএনপির নেতা আবুল বাশার বাবুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ বি এম জাকারিয়া বলেন, ‘এ রকম বক্তব্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে না, সরাসরি দলের বিরুদ্ধে। আমরা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে