নীলফামারী ও সৈয়দপুর প্রতিনিধি

ভ্রাম্যমাণ আদালতে রায় মেনে জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল দিদার দিপুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গতকাল শুক্রবার জীবন্ত ঘোড়া নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম।
কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার না করে জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একইদিন দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
দণ্ডিত ফয়সাল দিদার দিপু জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। তিনি সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল দিদার দিপু শহরের শহীদ তুলসীরাম সড়কে ঘোড়ার গাড়িতে করে প্রচারণায় অংশ নেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত হন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ২০১৬ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসারে জীবন্ত প্রাণী নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অপরাধে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন, অনাদায়ে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। কিন্তু তিনি নিজের ভুল স্বীকার না করে জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একইদিন রাত সোয়া ৩টার দিকে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিয়মিত মামলা দায়ের পর চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল দিদার দিপুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে আজ (শনিবার) তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

ভ্রাম্যমাণ আদালতে রায় মেনে জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল দিদার দিপুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে গতকাল শুক্রবার জীবন্ত ঘোড়া নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম।
কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার না করে জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একইদিন দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
দণ্ডিত ফয়সাল দিদার দিপু জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। তিনি সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল দিদার দিপু শহরের শহীদ তুলসীরাম সড়কে ঘোড়ার গাড়িতে করে প্রচারণায় অংশ নেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত হন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ২০১৬ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসারে জীবন্ত প্রাণী নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অপরাধে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন, অনাদায়ে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। কিন্তু তিনি নিজের ভুল স্বীকার না করে জরিমানা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একইদিন রাত সোয়া ৩টার দিকে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহা আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিয়মিত মামলা দায়ের পর চেয়ারম্যান প্রার্থী ফয়সাল দিদার দিপুকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে আজ (শনিবার) তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে