নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডিমলায় ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে সিলমারা ব্যালট নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠলে ছবিটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। এটি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা।
ঘটনাটি ঘটে আজ বুধবার উপজেলার উত্তর বন্দর খড়িবাড়ি স্পেশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. মানিক, তিনি খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডিমলা উপজেলা শাখার সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
সূত্রে জানা গেছে, মো. মানিক মোবাইল ফোনসহ ভোটকক্ষে প্রবেশ করেন। তারপর জনৈক প্রার্থীর আনারস প্রতীকে সিল মারেন। এরপর সেখানে সিল মারা ব্যালটের সঙ্গে ছবি তুলে তার ব্যক্তিগত আইডিতে পোস্ট করেন। এতে সমালোচনার ঝড় এবং ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অবহেলার অভিযোগ উঠে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মো. মানিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোট যেমন আমার ব্যক্তিগত, তেমনি ফেসবুক আইডিটা আমার ব্যক্তিগত। আমার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ফেসবুকে দিয়েছি। এটা তো অন্যায়ের কিছু দেখছি না।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শুভ কুমার সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের গোপন বুথে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ছবি তোলা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্র মোবাইল ব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। এরপর ওই ভোটার কীভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছে তা আমার জানা নেই।’

নীলফামারীর ডিমলায় ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে সিলমারা ব্যালট নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠলে ছবিটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়। এটি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা।
ঘটনাটি ঘটে আজ বুধবার উপজেলার উত্তর বন্দর খড়িবাড়ি স্পেশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. মানিক, তিনি খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ডিমলা উপজেলা শাখার সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
সূত্রে জানা গেছে, মো. মানিক মোবাইল ফোনসহ ভোটকক্ষে প্রবেশ করেন। তারপর জনৈক প্রার্থীর আনারস প্রতীকে সিল মারেন। এরপর সেখানে সিল মারা ব্যালটের সঙ্গে ছবি তুলে তার ব্যক্তিগত আইডিতে পোস্ট করেন। এতে সমালোচনার ঝড় এবং ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অবহেলার অভিযোগ উঠে।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মো. মানিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোট যেমন আমার ব্যক্তিগত, তেমনি ফেসবুক আইডিটা আমার ব্যক্তিগত। আমার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ফেসবুকে দিয়েছি। এটা তো অন্যায়ের কিছু দেখছি না।’
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শুভ কুমার সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের গোপন বুথে প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার ছবি তোলা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। ভোটার যাতে ভোটকেন্দ্র মোবাইল ব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। এরপর ওই ভোটার কীভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছে তা আমার জানা নেই।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে