নীলফামারী প্রতিনিধি

দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এমপি পরিবারের সদস্যরা প্রার্থিতার প্রত্যাহার করেননি। আজ সোমবার ছিল নির্বাচনের প্রার্থিতার প্রত্যাহারের শেষ দিন।
এর আগে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন জেলায় মন্ত্রী-এমপির পরিবারের সদস্যরা প্রার্থী হতে মাঠে নামেন। এমনকি অনেক উপজেলায় তাঁদের স্বজনেরা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এতে দলের তৃণমূল নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নির্বাচনের মাঠ থেকে মন্ত্রী-এমপি পরিবারের সদস্যদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন।
প্রথম ধাপে ঘোষিত ডিমলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারের ভাতিজা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. ফেরদৌস পারভেজ এবং চাচাতো ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু। আজ দুজনই দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থিতার প্রত্যাহার করেননি।
এ বিষয় জানতে চাইলে মো. ফেরদৌস পারভেজ দলীয় লিখিত কোনো নির্দেশনা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি অনেক আগে থেকে ভোটের মাঠে রয়েছি। জেলা পরিষদের সদস্য পদে পদত্যাগ (রিজাইন) করে এ নির্বাচনে এসেছি। আমি দলের কোনো প্রার্থী না, স্বতন্ত্র প্রার্থী। ভোট থেকে সরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
অপর প্রার্থী আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু বলেন, ‘আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গত নির্বাচনে (উপজেলা) মনোনয়ন চেয়েছি, এমপি নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দেননি, আমি দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি। দলীয় যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেটির মধ্যে আমি পড়ি না। আমার পরিবার আলাদা, আমি এমপির প্রার্থী না।’
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি দুজনকেই নির্বাচন না করার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু তারা আমার কথা রাখেনি।’
এদিকে আজ (সোমবার) শেষ দিনে জেলার ডোমার ও ডিমলা উপজেলার ৩৫ প্রার্থীর কেউই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন। এর আগে বুধবার যাচাই-বাছাইয়ে ৩৫ প্রার্থীর সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এমপি পরিবারের সদস্যরা প্রার্থিতার প্রত্যাহার করেননি। আজ সোমবার ছিল নির্বাচনের প্রার্থিতার প্রত্যাহারের শেষ দিন।
এর আগে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন জেলায় মন্ত্রী-এমপির পরিবারের সদস্যরা প্রার্থী হতে মাঠে নামেন। এমনকি অনেক উপজেলায় তাঁদের স্বজনেরা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এতে দলের তৃণমূল নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নির্বাচনের মাঠ থেকে মন্ত্রী-এমপি পরিবারের সদস্যদের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন।
প্রথম ধাপে ঘোষিত ডিমলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারের ভাতিজা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. ফেরদৌস পারভেজ এবং চাচাতো ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু। আজ দুজনই দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থিতার প্রত্যাহার করেননি।
এ বিষয় জানতে চাইলে মো. ফেরদৌস পারভেজ দলীয় লিখিত কোনো নির্দেশনা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি অনেক আগে থেকে ভোটের মাঠে রয়েছি। জেলা পরিষদের সদস্য পদে পদত্যাগ (রিজাইন) করে এ নির্বাচনে এসেছি। আমি দলের কোনো প্রার্থী না, স্বতন্ত্র প্রার্থী। ভোট থেকে সরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
অপর প্রার্থী আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু বলেন, ‘আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। গত নির্বাচনে (উপজেলা) মনোনয়ন চেয়েছি, এমপি নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মনোনয়ন দেননি, আমি দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছি। দলীয় যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেটির মধ্যে আমি পড়ি না। আমার পরিবার আলাদা, আমি এমপির প্রার্থী না।’
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি দুজনকেই নির্বাচন না করার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু তারা আমার কথা রাখেনি।’
এদিকে আজ (সোমবার) শেষ দিনে জেলার ডোমার ও ডিমলা উপজেলার ৩৫ প্রার্থীর কেউই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন। এর আগে বুধবার যাচাই-বাছাইয়ে ৩৫ প্রার্থীর সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে