রেজা মাহমুদ, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

রাজধানীর গোপীবাগে নাশকতায় পুড়ে যাওয়া বেনাপোল এক্সপ্রেসের ক্ষতিগ্রস্ত চারটি কোচ নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়েছে। আজ শনিবার এই কোচগুলো মেরামতের জন্য আনা হয়। রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রেলওয়ে বিভাগের লোকজন জানান, ৬ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে যশোরের বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে ট্রেনটির তিনটি কোচ ও একটি পাওয়ারকার পুড়ে যায়। পরে এগুলো মেরামতের জন্য সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার পাঠানো হয়। আজ দুপুরে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন ইয়ার্ডে আনা হয় কোচগুলো। সেখান থেকে বিকেলে রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হয়।
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার সুজিত কুমার বিশ্বাস মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত এসব কোচ ক্রয়মূল্য হিসাবে প্রতিটির দাম প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। এসব কোচ আমদানি করা হয়েছে বেশি দিন হয়নি। নাশকতায় ওই ট্রেনের একসঙ্গে চারটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে রেল। ট্রেনটিতে বগির জোগান দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কোচ মেরামত না করা পর্যন্ত আরেকটি ট্রেন থেকে নতুন কোচ যুক্ত করে চালাতে হচ্ছে। এতে আয়ও কমেছে রেলওয়ের।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ডিএস মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যে চারটি কোচ রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে তিনটি আগুনে সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। সাধারণত দুর্ঘটনায় কম ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলো মেরামত করতে ৪৫ দিন, আর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কোচ মেরামতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগে। কিন্তু এ কোচগুলোর ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি যে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। মেরামত করার জন্য এর কাঁচামাল আমদানি করার প্রয়োজন পড়তে পারে।’

রাজধানীর গোপীবাগে নাশকতায় পুড়ে যাওয়া বেনাপোল এক্সপ্রেসের ক্ষতিগ্রস্ত চারটি কোচ নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়েছে। আজ শনিবার এই কোচগুলো মেরামতের জন্য আনা হয়। রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রেলওয়ে বিভাগের লোকজন জানান, ৬ জানুয়ারি রাজধানীর গোপীবাগে যশোরের বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে ট্রেনটির তিনটি কোচ ও একটি পাওয়ারকার পুড়ে যায়। পরে এগুলো মেরামতের জন্য সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার পাঠানো হয়। আজ দুপুরে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন ইয়ার্ডে আনা হয় কোচগুলো। সেখান থেকে বিকেলে রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হয়।
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার সুজিত কুমার বিশ্বাস মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত এসব কোচ ক্রয়মূল্য হিসাবে প্রতিটির দাম প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। এসব কোচ আমদানি করা হয়েছে বেশি দিন হয়নি। নাশকতায় ওই ট্রেনের একসঙ্গে চারটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে রেল। ট্রেনটিতে বগির জোগান দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কোচ মেরামত না করা পর্যন্ত আরেকটি ট্রেন থেকে নতুন কোচ যুক্ত করে চালাতে হচ্ছে। এতে আয়ও কমেছে রেলওয়ের।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ডিএস মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যে চারটি কোচ রেলওয়ে কারখানায় আনা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে তিনটি আগুনে সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। সাধারণত দুর্ঘটনায় কম ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলো মেরামত করতে ৪৫ দিন, আর বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কোচ মেরামতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগে। কিন্তু এ কোচগুলোর ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি যে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। মেরামত করার জন্য এর কাঁচামাল আমদানি করার প্রয়োজন পড়তে পারে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে