জসিম উদ্দিন, নীলফামারী

সারা বছরই কাদাপানি আর অপরিচ্ছন্ন। দূরে সড়কের পাশে দাঁড়ানো বাসে যাত্রী ওঠানামা করছেন। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। অপর দিকে সংস্কার না করায় মাদকাসক্তদের দখলে বাস টার্মিনালের মূল ভবন। এর পূর্ব পাশটা দখলে নিয়েছেন খোয়া-বালু ব্যবসায়ীরা। এমন চিত্র নীলফামারীর সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের।
তবে চলতি বছরে আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানান সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবি। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আধুনিক মানের টার্মিনাল নির্মাণ করতে বাজেটে বরাদ্দ ধরা হয়েছে। তা ছাড়া বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি প্রকল্প একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আশা করি, চলতি বছরে বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু হবে।’
সূত্রমতে, প্রায় ২২ বছর আগে জেলা প্রশাসন টার্মিনালটি সৈয়দপুর পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করে। টার্মিনাল থেকে অভ্যন্তরীণ ছাড়াও রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ বিভিন্ন জেলার বাস চলাচল করে। টার্মিনালটি ২০ বছর ধরে মেরামত ও সংস্কার না করায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দূর-দূরান্তের যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছতে টার্মিনালে আসেন, কিন্তু বাসে উঠতে পারেন না।
তাঁরা সড়কের ওপরে দাঁড়িয়ে থেকে অপেক্ষা করেন বাসের জন্য। ফলে টার্মিনাল ভবনটি দিনে-রাতে ব্যবহার করছে মাদকসেবীরা। যাত্রী ও শ্রমিকেরা টার্মিনালের বাইরে ও মসজিদের শৌচাগার ব্যবহার করছে। এতে নারী যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়।
পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করে জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সম্পাদক মোজাম্মেল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পৌরসভা প্রতিবছরই বাস টার্মিনাল নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ রাখলেও কোনো কাজই করেনি। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটেও বাস টার্মিনালের আধুনিক ভবন নির্মাণের জন্য ২ কোটি টাকার মতো বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু অর্থবছরের শেষ দিকে এসেও এখনো টার্মিনাল নির্মাণের কোনো ইঙ্গিত নেই। ফলে বাসচালক ও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বাসমালিকদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে রাস্তায় নামতে বাধ্য হতে হবে।’
জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শাহনেওয়াজ হোসেন শানু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টার্মিনালটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এবং পূর্ব দিকে সীমানা প্রাচীর না থাকায় রাতে টার্মিনাল এলাকায় বাস রাখা যাচ্ছে না। নিরাপত্তা না থাকায় বাসের যন্ত্রাংশ-ব্যাটারি চুরি হচ্ছে অহরহ। এতে মালিকেরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পৌরসভার প্রতি আর আমাদের ভরসা নেই। তাদের কথা-কাজে কোনো মিল নেই। অথচ টোল ঠিকই আদায় করছে।’
তিনি বলেন, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ শহরের বালু-খোয়া ব্যবসায়ীদের টার্মিনালের পূর্ব অংশ ইজারা দিয়েছেন। ওই ব্যবসায়ীরা দাপটের সঙ্গে টার্মিনাল দখলে নিয়ে ব্যবসা করছেন। এ ছাড়া অব্যবহৃত ভবনটিতে মাদকসেবীদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে।’
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টার্মিনালে বালু বা খোয়া ব্যবসার জন্য কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। এর আগেও একটি মহল জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার খবর পেয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘টার্মিনালটি পৌরসভার দখলে থাকলেও জেলা প্রশাসন কর্তৃক পৌরসভাকে হস্তান্তরের কোনো কাগজপত্র নেই।’
নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. সিদ্দিকুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টার্মিনালটি জরুরি মেরামত প্রয়োজন। মহাসড়কে যাত্রী ওঠানামা করায় সড়কে ছোটখাটো দুর্ঘটনার পাশাপাশি ওই সড়কে মাঝেমধ্যে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই এটি নির্মাণের বিষয়টি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।’

সারা বছরই কাদাপানি আর অপরিচ্ছন্ন। দূরে সড়কের পাশে দাঁড়ানো বাসে যাত্রী ওঠানামা করছেন। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। অপর দিকে সংস্কার না করায় মাদকাসক্তদের দখলে বাস টার্মিনালের মূল ভবন। এর পূর্ব পাশটা দখলে নিয়েছেন খোয়া-বালু ব্যবসায়ীরা। এমন চিত্র নীলফামারীর সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের।
তবে চলতি বছরে আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানান সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র রাফিকা আকতার জাহান বেবি। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আধুনিক মানের টার্মিনাল নির্মাণ করতে বাজেটে বরাদ্দ ধরা হয়েছে। তা ছাড়া বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে একটি প্রকল্প একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আশা করি, চলতি বছরে বাস টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু হবে।’
সূত্রমতে, প্রায় ২২ বছর আগে জেলা প্রশাসন টার্মিনালটি সৈয়দপুর পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করে। টার্মিনাল থেকে অভ্যন্তরীণ ছাড়াও রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ বিভিন্ন জেলার বাস চলাচল করে। টার্মিনালটি ২০ বছর ধরে মেরামত ও সংস্কার না করায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দূর-দূরান্তের যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছতে টার্মিনালে আসেন, কিন্তু বাসে উঠতে পারেন না।
তাঁরা সড়কের ওপরে দাঁড়িয়ে থেকে অপেক্ষা করেন বাসের জন্য। ফলে টার্মিনাল ভবনটি দিনে-রাতে ব্যবহার করছে মাদকসেবীরা। যাত্রী ও শ্রমিকেরা টার্মিনালের বাইরে ও মসজিদের শৌচাগার ব্যবহার করছে। এতে নারী যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়।
পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করে জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সম্পাদক মোজাম্মেল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পৌরসভা প্রতিবছরই বাস টার্মিনাল নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ রাখলেও কোনো কাজই করেনি। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটেও বাস টার্মিনালের আধুনিক ভবন নির্মাণের জন্য ২ কোটি টাকার মতো বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু অর্থবছরের শেষ দিকে এসেও এখনো টার্মিনাল নির্মাণের কোনো ইঙ্গিত নেই। ফলে বাসচালক ও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বাসমালিকদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে রাস্তায় নামতে বাধ্য হতে হবে।’
জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শাহনেওয়াজ হোসেন শানু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টার্মিনালটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এবং পূর্ব দিকে সীমানা প্রাচীর না থাকায় রাতে টার্মিনাল এলাকায় বাস রাখা যাচ্ছে না। নিরাপত্তা না থাকায় বাসের যন্ত্রাংশ-ব্যাটারি চুরি হচ্ছে অহরহ। এতে মালিকেরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। পৌরসভার প্রতি আর আমাদের ভরসা নেই। তাদের কথা-কাজে কোনো মিল নেই। অথচ টোল ঠিকই আদায় করছে।’
তিনি বলেন, পৌরসভা কর্তৃপক্ষ শহরের বালু-খোয়া ব্যবসায়ীদের টার্মিনালের পূর্ব অংশ ইজারা দিয়েছেন। ওই ব্যবসায়ীরা দাপটের সঙ্গে টার্মিনাল দখলে নিয়ে ব্যবসা করছেন। এ ছাড়া অব্যবহৃত ভবনটিতে মাদকসেবীদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে।’
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম টার্মিনাল ইজারা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টার্মিনালে বালু বা খোয়া ব্যবসার জন্য কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি। এর আগেও একটি মহল জোরপূর্বক দখলে নেওয়ার খবর পেয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘টার্মিনালটি পৌরসভার দখলে থাকলেও জেলা প্রশাসন কর্তৃক পৌরসভাকে হস্তান্তরের কোনো কাগজপত্র নেই।’
নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. সিদ্দিকুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টার্মিনালটি জরুরি মেরামত প্রয়োজন। মহাসড়কে যাত্রী ওঠানামা করায় সড়কে ছোটখাটো দুর্ঘটনার পাশাপাশি ওই সড়কে মাঝেমধ্যে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই এটি নির্মাণের বিষয়টি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে