নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। উজানের ঢলে আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৭ সেন্টিমিটার। বর্তমানে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, আজ সকাল ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্ট নদীর পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর সকাল ৯টায় ৬ সেন্টিমিটার, দুপুর ১২টায় ৫ সেন্টিমিটার, বেলা ৩টায় ৩ সেন্টিমিটার এবং সন্ধ্যা ৬টায় আরও ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে দিনের ১২ ঘণ্টায় ১৭ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। ওই পয়েন্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।
এর আগে ১৪ আগস্ট উজানের ঢলে ওই পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে তিস্তা অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরপর পানি কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে পার্শ্ববর্তী ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেনি। রাতে পানি বৃদ্ধির শঙ্কায় রয়েছে এসব গ্রামের মানুষ।
উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘দফায় দফায় নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এখনো কোনো ঘরবাড়িতে পানি ওঠেনি।’
এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, উজানের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্ধ্যা ৬টায় ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। উজানের ঢলে আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৭ সেন্টিমিটার। বর্তমানে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, আজ সকাল ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্ট নদীর পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর সকাল ৯টায় ৬ সেন্টিমিটার, দুপুর ১২টায় ৫ সেন্টিমিটার, বেলা ৩টায় ৩ সেন্টিমিটার এবং সন্ধ্যা ৬টায় আরও ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে দিনের ১২ ঘণ্টায় ১৭ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পায়। ওই পয়েন্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।
এর আগে ১৪ আগস্ট উজানের ঢলে ওই পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে তিস্তা অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরপর পানি কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে পার্শ্ববর্তী ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, গয়াবাড়ি, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেনি। রাতে পানি বৃদ্ধির শঙ্কায় রয়েছে এসব গ্রামের মানুষ।
উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘দফায় দফায় নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এখনো কোনো ঘরবাড়িতে পানি ওঠেনি।’
এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, উজানের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্ধ্যা ৬টায় ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে