নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বান্ধবীর বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত মো. চাঁন মিয়াকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪।
গতকাল বুধবার সকালে জেলা শহরের মদন বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরে রাত নয়টার দিকে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
চাঁন মিয়া কমলাকান্দা উপজেলার খাতে সালেঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজ আলীর ছেলে।
এর আগে গত ২৮ অক্টোবর এ মামলার অপর তিন আসামি উপজেলার খাতে সালেঙ্গা গ্রামের মো. আপেল মিয়া (৩০), হানিফ মিয়া (৩০) ও মইপুকুরিয়া গ্রামের মো. রনি মিয়াকে (২২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) লুৎফুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাত নয়টার দিকে চাঁন মিয়াকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।মামলা
সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায় গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে কলমাকান্দা এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগীর। পরিচয়ের সূত্রে দুজনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৭ অক্টোবর বান্ধবীর ছোট বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে কলমাকান্দা যান ভুক্তভোগী তরুণী।
ভালুকা থেকে রাতের বাসে করে রাত একটার দিকে কলমাকান্দার পাবই মোড়ে পৌঁছান তিনি। বাস থেকে নেমে আপেল মিয়া ও চান মিয়া নামে দুই যুবককে পেয়ে বান্ধবীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের সহায়তা চান। কিন্তু ওই তরুণীকে বান্ধবীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার পরিবর্তে খাতে সালেঙ্গা গ্রামে আপেল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যান অভিযুক্তরা।
সেখানে আগে থেকেই তাদের আরও দুই বন্ধু রনি ও হানিফ উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা চার বন্ধু মিলে হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। রাত দুইটার দিকে একপর্যায়ে ওই তরুণী কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পরে স্থানীয়রা ওই ভুক্তভোগী তরুণীকে তাঁর বান্ধবীর বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ ঘটনায় পরদিন দুপুরে ওই চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলার পরপরই তিন অভিযুক্ত আপেল মিয়া, হানিফ মিয়া ও রনি মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। অপর অভিযুক্ত চান মিয়া পলাতক ছিলেন।

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বান্ধবীর বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় অভিযুক্ত মো. চাঁন মিয়াকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪।
গতকাল বুধবার সকালে জেলা শহরের মদন বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। পরে রাত নয়টার দিকে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
চাঁন মিয়া কমলাকান্দা উপজেলার খাতে সালেঙ্গা গ্রামের মো. সিরাজ আলীর ছেলে।
এর আগে গত ২৮ অক্টোবর এ মামলার অপর তিন আসামি উপজেলার খাতে সালেঙ্গা গ্রামের মো. আপেল মিয়া (৩০), হানিফ মিয়া (৩০) ও মইপুকুরিয়া গ্রামের মো. রনি মিয়াকে (২২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) লুৎফুর রহমান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রাত নয়টার দিকে চাঁন মিয়াকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।মামলা
সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায় গার্মেন্টসে চাকরির সুবাদে কলমাকান্দা এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় ভুক্তভোগীর। পরিচয়ের সূত্রে দুজনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৭ অক্টোবর বান্ধবীর ছোট বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে কলমাকান্দা যান ভুক্তভোগী তরুণী।
ভালুকা থেকে রাতের বাসে করে রাত একটার দিকে কলমাকান্দার পাবই মোড়ে পৌঁছান তিনি। বাস থেকে নেমে আপেল মিয়া ও চান মিয়া নামে দুই যুবককে পেয়ে বান্ধবীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের সহায়তা চান। কিন্তু ওই তরুণীকে বান্ধবীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার পরিবর্তে খাতে সালেঙ্গা গ্রামে আপেল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যান অভিযুক্তরা।
সেখানে আগে থেকেই তাদের আরও দুই বন্ধু রনি ও হানিফ উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা চার বন্ধু মিলে হত্যার ভয় দেখিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। রাত দুইটার দিকে একপর্যায়ে ওই তরুণী কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পরে স্থানীয়রা ওই ভুক্তভোগী তরুণীকে তাঁর বান্ধবীর বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ ঘটনায় পরদিন দুপুরে ওই চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলার পরপরই তিন অভিযুক্ত আপেল মিয়া, হানিফ মিয়া ও রনি মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। অপর অভিযুক্ত চান মিয়া পলাতক ছিলেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে