নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে এক গৃহবধূ হত্যায় মামলায় অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে নরসিংদী জেলার শিবচর উপজেলার কাবারচর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর একটি দল।
নিহত মোস্তফা আক্তার (৬০) কেন্দুয়া উপজেলার পাঁচহার গ্রামের নুর উদ্দীনের স্ত্রী।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মো. আংগুর মিয়া (৫০) ও তাঁর ভাই মো. নুর মিয়া (৪৫)।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মোস্তফা আক্তার ও প্রতিবেশী আংগুর মিয়াদের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আংগুর মিয়ার পরিবারের লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনকে কয়েকবার হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন। ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিজেদের জায়গায় গরু বেঁধে রাখেন মোস্তফা আক্তার।
বিকেলে গরু আনতে গেলে আংগুর মিয়া তাঁর ভাই নুর মিয়াসহ অন্যরা মোস্তফাকে মারধর শুরু করেন। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হুমকি দিয়ে তাঁরা চলে যান। পরে গুরুতর আহত মোস্তফা আক্তারকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরদিন গৃহবধূর মেয়ে আয়াতুল বাদী হয়ে আংগুর মিয়া ও নুর মিয়াসহ নয়জনকে আসামি করে কেন্দুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৫টার দিকে নরসিংদী জেলার শিবচর উপজেলার কাবারচর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরে দুপুরে তাঁদের কেন্দুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় নয়জন আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকিরা পলাতক আছেন। তাঁদের ধরতে চেষ্টা চলছে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে এক গৃহবধূ হত্যায় মামলায় অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে নরসিংদী জেলার শিবচর উপজেলার কাবারচর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর একটি দল।
নিহত মোস্তফা আক্তার (৬০) কেন্দুয়া উপজেলার পাঁচহার গ্রামের নুর উদ্দীনের স্ত্রী।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন একই গ্রামের মো. আংগুর মিয়া (৫০) ও তাঁর ভাই মো. নুর মিয়া (৪৫)।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মোস্তফা আক্তার ও প্রতিবেশী আংগুর মিয়াদের পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আংগুর মিয়ার পরিবারের লোকজন প্রতিপক্ষের লোকজনকে কয়েকবার হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন। ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিজেদের জায়গায় গরু বেঁধে রাখেন মোস্তফা আক্তার।
বিকেলে গরু আনতে গেলে আংগুর মিয়া তাঁর ভাই নুর মিয়াসহ অন্যরা মোস্তফাকে মারধর শুরু করেন। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হুমকি দিয়ে তাঁরা চলে যান। পরে গুরুতর আহত মোস্তফা আক্তারকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরদিন গৃহবধূর মেয়ে আয়াতুল বাদী হয়ে আংগুর মিয়া ও নুর মিয়াসহ নয়জনকে আসামি করে কেন্দুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ৫টার দিকে নরসিংদী জেলার শিবচর উপজেলার কাবারচর এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরে দুপুরে তাঁদের কেন্দুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় নয়জন আসামির মধ্যে এ পর্যন্ত পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকিরা পলাতক আছেন। তাঁদের ধরতে চেষ্টা চলছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে