নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার আটপাড়ায় জলমহাল নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণের অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ তদন্তে গিয়ে সেই রহস্য উন্মোচন করেছে।
পুলিশ জানায়, জলমহালের বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এই অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছে। সোহাগ নামের যে যুবককে অপহরণের অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি মূলত দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে থাকেন। ঘটনার দিনও তিনি সেখানেই ছিলেন।
আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমি নিজেই গিয়ে বাদীপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। তদন্তে জানা যায়, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে তিনি উপস্থিতই ছিলেন না। জলমহাল নিয়ে বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছে।’
থানা-পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার উপজেলার নারাচাতল গ্রামের মো. আতিকুল ইসলাম তাঁর ভাতিজা সোহাগ মিয়াকে অপহরণ করেছে বলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। একই উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের সকাল মিয়া, হবিক মিয়াসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত রোববার রাতে সোহাগকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ সঠিকই আছে। গত রোববার রাতে আমার ভাতিজা সোহাগকে হবিক, সকালসহ অন্যরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোহনগঞ্জে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে ঢাকাগামী ট্রেনে তুলে দেয়। আর বলে, ‘এলাকায় ফিরে আসলে তোকে মেরে ফেলব।’ পরে ভয়ে সে চট্টগ্রামে চলে যায়।”

নেত্রকোনার আটপাড়ায় জলমহাল নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে অপহরণের নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণের অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ তদন্তে গিয়ে সেই রহস্য উন্মোচন করেছে।
পুলিশ জানায়, জলমহালের বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এই অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছে। সোহাগ নামের যে যুবককে অপহরণের অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি মূলত দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে থাকেন। ঘটনার দিনও তিনি সেখানেই ছিলেন।
আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমি নিজেই গিয়ে বাদীপক্ষের সঙ্গে কথা বলি। তদন্তে জানা যায়, সোহাগ দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে তিনি উপস্থিতই ছিলেন না। জলমহাল নিয়ে বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এ অপহরণের নাটক সাজানো হয়েছে।’
থানা-পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার উপজেলার নারাচাতল গ্রামের মো. আতিকুল ইসলাম তাঁর ভাতিজা সোহাগ মিয়াকে অপহরণ করেছে বলে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। একই উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের সকাল মিয়া, হবিক মিয়াসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত রোববার রাতে সোহাগকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযোগকারী মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ সঠিকই আছে। গত রোববার রাতে আমার ভাতিজা সোহাগকে হবিক, সকালসহ অন্যরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোহনগঞ্জে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে ঢাকাগামী ট্রেনে তুলে দেয়। আর বলে, ‘এলাকায় ফিরে আসলে তোকে মেরে ফেলব।’ পরে ভয়ে সে চট্টগ্রামে চলে যায়।”

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে