নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাত গ্রামের লোকজনের মধ্যে তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত অর্ধশত লোকজন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে নায়েকপুর ইউনিয়নের জনতা বাজারের পাশের কৃষি জমিতে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে আহত রফিক (৩৫), গণি মিয়া (৬৫) ও সিয়াম (৪৫) এ তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত বাকিদের মধ্যে ১২-১৩ জন মদন ও পাশের তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নায়েকপুর ইউনিয়নের সাতটি গ্রাম দুই ভাগ হয়ে বিরোধ চলে আসছে। এক পক্ষে নোয়াগাও, পাছআলমশ্রী, বাউশা ও তালুক কানাই এ চার গ্রাম। অপরপক্ষে আলমশ্রী, দেওয়ানপাড়া ও মাখনার এ তিন গ্রামের লোকজন।
এ নিয়ে এলাকায় বারবার উত্তেজনা দেখা দেয়। এর আগেও দু-পক্ষের মাঝে কয়েকবার মারধরের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার জেরেই আজ মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষের হাজার হাজার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশত মানুষ আহত হয়।
এ ব্যাপারে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তাওহীদুর রহমান জানান, ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নায়েকপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছে। মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আলম মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নায়েকপুর ইউনিয়নের দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও পুলিশ প্রশাসন নিয়ে কয়েকবার চেষ্টা করি। এক পক্ষ সাড়া না দেওয়ায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়নি। আজ মঙ্গলবার সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।’

নেত্রকোনার মদনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাত গ্রামের লোকজনের মধ্যে তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত অর্ধশত লোকজন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে নায়েকপুর ইউনিয়নের জনতা বাজারের পাশের কৃষি জমিতে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে আহত রফিক (৩৫), গণি মিয়া (৬৫) ও সিয়াম (৪৫) এ তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত বাকিদের মধ্যে ১২-১৩ জন মদন ও পাশের তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়েছেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নায়েকপুর ইউনিয়নের সাতটি গ্রাম দুই ভাগ হয়ে বিরোধ চলে আসছে। এক পক্ষে নোয়াগাও, পাছআলমশ্রী, বাউশা ও তালুক কানাই এ চার গ্রাম। অপরপক্ষে আলমশ্রী, দেওয়ানপাড়া ও মাখনার এ তিন গ্রামের লোকজন।
এ নিয়ে এলাকায় বারবার উত্তেজনা দেখা দেয়। এর আগেও দু-পক্ষের মাঝে কয়েকবার মারধরের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার জেরেই আজ মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষের হাজার হাজার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশত মানুষ আহত হয়।
এ ব্যাপারে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তাওহীদুর রহমান জানান, ‘আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নায়েকপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছে। মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আলম মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নায়েকপুর ইউনিয়নের দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও পুলিশ প্রশাসন নিয়ে কয়েকবার চেষ্টা করি। এক পক্ষ সাড়া না দেওয়ায় নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়নি। আজ মঙ্গলবার সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে