নেত্রকোনা প্রতিনিধি

কারামুক্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, ‘আপনারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি সামলাতে পারছেন না, তাই দ্রুত নির্বাচন দিয়ে সম্মানের সহিত বিদায় নিন।’
আজ মঙ্গলবার জেলার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের টেংগাপাড়া উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে দেওয়া এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার মিথ্যা মামলায় আমাকে দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর কারাগারে আটকে রেখেছিল। শুধু আমাকে কারাগারে রেখেছে তা-ই নয়, পুরো দেশকেই কারাগারে পরিণত করেছিল।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রয়োজনে রাজপথে নামতে হবে।’ এ জন্য দলের নেতা-কর্মীদের তৈরি থাকতে বলেন তিনি।
বাবর বলেন, ‘কারাগারে থাকাকালে আওয়ামী লীগ সরকার আমাকে দিয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়াতে চেয়েছিল। অনেক নির্যাতন করেছে। কিন্তু পারেনি, তারা ব্যর্থ হয়েছে।’
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের রায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বেকারত্ব দূর করা হবে। সরকারি-বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরি করে সবার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।’
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভয় নেই উল্লেখ করে বাবর বলেন, ‘অতীতে যেভাবে আমরা আপনাদের নিরাপত্তা দিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে, আমাদের দলের নেতা-কর্মীরাও নিরাপত্তা দেবে। আপনাদের কোনো ভয় নেই।’
সেলিম কার্নায়েনের সভাপতিত্ব গণসংবর্ধনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তালুকদার ও যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন খান রনি।
উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মাসুম, সদস্যসচিব গোলাম রাব্বানী পুতুলসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব টিপু সুলতান।

কারামুক্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন, ‘আপনারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি সামলাতে পারছেন না, তাই দ্রুত নির্বাচন দিয়ে সম্মানের সহিত বিদায় নিন।’
আজ মঙ্গলবার জেলার মোহনগঞ্জ পৌর শহরের টেংগাপাড়া উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে দেওয়া এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার মিথ্যা মামলায় আমাকে দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর কারাগারে আটকে রেখেছিল। শুধু আমাকে কারাগারে রেখেছে তা-ই নয়, পুরো দেশকেই কারাগারে পরিণত করেছিল।’
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রয়োজনে রাজপথে নামতে হবে।’ এ জন্য দলের নেতা-কর্মীদের তৈরি থাকতে বলেন তিনি।
বাবর বলেন, ‘কারাগারে থাকাকালে আওয়ামী লীগ সরকার আমাকে দিয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়াতে চেয়েছিল। অনেক নির্যাতন করেছে। কিন্তু পারেনি, তারা ব্যর্থ হয়েছে।’
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের রায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এলে বেকারত্ব দূর করা হবে। সরকারি-বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরি করে সবার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।’
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে ভয় নেই উল্লেখ করে বাবর বলেন, ‘অতীতে যেভাবে আমরা আপনাদের নিরাপত্তা দিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আছে, আমাদের দলের নেতা-কর্মীরাও নিরাপত্তা দেবে। আপনাদের কোনো ভয় নেই।’
সেলিম কার্নায়েনের সভাপতিত্ব গণসংবর্ধনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তালুকদার ও যুবদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন খান রনি।
উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মাসুম, সদস্যসচিব গোলাম রাব্বানী পুতুলসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব টিপু সুলতান।

দোতালা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে বসে রয়েছেন ফার্মাসিস্ট মোল্লা মনিরুজ্জামান। তাঁর কাছেই বিভিন্ন বয়সী রোগীরা আসছেন চিকিৎসা নিতে। উপসর্গ শুনে রোগীদের জন্য নিজেই ওষুধ লিখে দিচ্ছেন মনিরুজ্জামান।
৬ মিনিট আগে
কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
১৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৮ ঘণ্টা আগে