নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এক শিক্ষার্থীকে ৪০ বার কান ধরে ওঠবস করানোসহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক আইরিন নাজনীনের বিরুদ্ধে। গত ১২ অক্টোবর উপজেলার বার্ত্তারগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলার সময় এই ঘটনা ঘটে।
আজ রোববার দুপুরে শিক্ষার্থীর বাবা নির্যাতনের ঘটনায় মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণির এক শিক্ষার্থী অসুস্থতার কারণে গত ১০ ও ১১ অক্টোবর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে। সুস্থ হয়ে ১২ অক্টোবর বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন পঞ্চম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান ক্লাস চলার সময়ে প্রধান শিক্ষক আইরিন নাজনীন শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেই ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে দুদিন অনুপস্থিত থাকার কারণ জানতে চান।
ওই শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষককে জানায় সে দুদিন অসুস্থ ছিল। এই উত্তরে সন্তুষ্ট হননি প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে শাস্তি হিসেবে ৪০ বার কান ধরে ওঠবস করার নির্দেশ দেন। অন্যথায় তাকে ৪০টি বেত্রাঘাত করা হবে বলে জানান। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে বাধ্য হয়ে ৪০ বার কান ধরে ওঠবস করে সে। বাড়ি ফেরার পর সন্ধ্যায় কোমরে তীব্র ব্যথা শুরু হয় তার। পরিবারের লোকজন তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা সরকারিভাবে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক আইরিন আমার ছেলেকে যেভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে তা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। আমি ওই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আইরিন নাজনীন বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীকে কান ধরে ওঠবস করানোর বিষয়টি আদৌ সত্য নয়। তবে সে ক্লাসের পড়া শিখে না আসায় আমি তাকে শাসিয়েছি মাত্র।’
অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টির সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এক শিক্ষার্থীকে ৪০ বার কান ধরে ওঠবস করানোসহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক আইরিন নাজনীনের বিরুদ্ধে। গত ১২ অক্টোবর উপজেলার বার্ত্তারগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলার সময় এই ঘটনা ঘটে।
আজ রোববার দুপুরে শিক্ষার্থীর বাবা নির্যাতনের ঘটনায় মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণির এক শিক্ষার্থী অসুস্থতার কারণে গত ১০ ও ১১ অক্টোবর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে। সুস্থ হয়ে ১২ অক্টোবর বিদ্যালয়ে যায়। ওই দিন পঞ্চম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান ক্লাস চলার সময়ে প্রধান শিক্ষক আইরিন নাজনীন শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেই ওই শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে দুদিন অনুপস্থিত থাকার কারণ জানতে চান।
ওই শিক্ষার্থী প্রধান শিক্ষককে জানায় সে দুদিন অসুস্থ ছিল। এই উত্তরে সন্তুষ্ট হননি প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে শাস্তি হিসেবে ৪০ বার কান ধরে ওঠবস করার নির্দেশ দেন। অন্যথায় তাকে ৪০টি বেত্রাঘাত করা হবে বলে জানান। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে বাধ্য হয়ে ৪০ বার কান ধরে ওঠবস করে সে। বাড়ি ফেরার পর সন্ধ্যায় কোমরে তীব্র ব্যথা শুরু হয় তার। পরিবারের লোকজন তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা সরকারিভাবে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক আইরিন আমার ছেলেকে যেভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে তা খুবই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। আমি ওই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আইরিন নাজনীন বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীকে কান ধরে ওঠবস করানোর বিষয়টি আদৌ সত্য নয়। তবে সে ক্লাসের পড়া শিখে না আসায় আমি তাকে শাসিয়েছি মাত্র।’
অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টির সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে