নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার রেজভীয়া দরবারের ৬৩তম ওরস স্থগিত করা হয়েছে। দরবারের উত্তরাধিকার দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বের জেরে প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ও আগামীকাল শুক্রবার দুই দিনব্যাপী সেখানে ওরস হওয়ার কথা ছিল।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভা শেষে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘রেজভীয়া দরবার শরীফের পরিচালনা কমিটির মধ্যে দুটি পক্ষ রয়েছে। বিবদমান পক্ষ দুটি মারমুখী অবস্থায় থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। তাই পক্ষ দুটিকে নিয়ে বুধবার বিকেলে জরুরি সভা ডাকা হয়। কিন্তু কোনো পক্ষই ছাড় দিতে রাজি নয়। যে কারণে ওরস স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানাতে মাইকিং করা হচ্ছে। তবে দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে ঐক্যে পৌঁছাতে পারলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা, দরবার ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সতরশ্রী এলাকায় রেজভীয়া দরবারে প্রতি বছর ফাল্গুনে দুই দিনব্যাপী ওরস হয়। দরবারের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আকবর আলী রেজভী ২০১৫ সালের ৩০ আগস্ট মারা যান। তাঁর তিন ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। তাঁর দরবারের তিনজন উত্তরাধিকারীর মধ্যে ছোট ছেলে নাজিরুল আমীন রেজভী আলাদাভাবে ওরস করেন।
আকবর আলীর বড় ছেলে ছদরুল আমীন রেজভী ও মেজ ছেলে সিরাজুল আমীন রেজভী দরবারের দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু বড় ছেলে ছদরুল আমীন ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর থেকে অন্য দুই ভাইয়ের মধ্যে দরবার নিয়ে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। তাঁদের মধ্যে একাধিক মামলা চলছে। এবার পৃথক মঞ্চ করে কার্যক্রম চালানো নিয়ে দুই পক্ষে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘আমরা দুই পক্ষকে নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছি। কিন্তু দুই পক্ষই তাদের জায়গায় অনড়। তাই সব দিক বিবেচনা করে ওরস স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

নেত্রকোনার রেজভীয়া দরবারের ৬৩তম ওরস স্থগিত করা হয়েছে। দরবারের উত্তরাধিকার দুই ভাইয়ের দ্বন্দ্বের জেরে প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ও আগামীকাল শুক্রবার দুই দিনব্যাপী সেখানে ওরস হওয়ার কথা ছিল।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সভা শেষে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘রেজভীয়া দরবার শরীফের পরিচালনা কমিটির মধ্যে দুটি পক্ষ রয়েছে। বিবদমান পক্ষ দুটি মারমুখী অবস্থায় থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। তাই পক্ষ দুটিকে নিয়ে বুধবার বিকেলে জরুরি সভা ডাকা হয়। কিন্তু কোনো পক্ষই ছাড় দিতে রাজি নয়। যে কারণে ওরস স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানাতে মাইকিং করা হচ্ছে। তবে দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে ঐক্যে পৌঁছাতে পারলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা, দরবার ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সতরশ্রী এলাকায় রেজভীয়া দরবারে প্রতি বছর ফাল্গুনে দুই দিনব্যাপী ওরস হয়। দরবারের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আকবর আলী রেজভী ২০১৫ সালের ৩০ আগস্ট মারা যান। তাঁর তিন ছেলে ও চার মেয়ে রয়েছে। তাঁর দরবারের তিনজন উত্তরাধিকারীর মধ্যে ছোট ছেলে নাজিরুল আমীন রেজভী আলাদাভাবে ওরস করেন।
আকবর আলীর বড় ছেলে ছদরুল আমীন রেজভী ও মেজ ছেলে সিরাজুল আমীন রেজভী দরবারের দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু বড় ছেলে ছদরুল আমীন ২০১৬ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর থেকে অন্য দুই ভাইয়ের মধ্যে দরবার নিয়ে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। তাঁদের মধ্যে একাধিক মামলা চলছে। এবার পৃথক মঞ্চ করে কার্যক্রম চালানো নিয়ে দুই পক্ষে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘আমরা দুই পক্ষকে নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছি। কিন্তু দুই পক্ষই তাদের জায়গায় অনড়। তাই সব দিক বিবেচনা করে ওরস স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে