নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে শ্মশানঘাট থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে গাগলাজুর ইউনিয়নের গাগলাজুর গ্রামের চৌরাপাড়া শ্মশানঘাট থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুল তালুকদার। নবজাতকটির বয়স এক বা দুই দিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এলাকাবাসী জানান, এলাকার কেউই হয়তো নির্জন জায়গায় নবজাতকটি ফেলে গেছে। তবে সময়মতো খুঁজে পাওয়ায় বেঁচে গেছে। না হলে কোনো বন্যপ্রাণী নবজাতকটিকে খেয়ে ফেলত।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুল তালুকদার বলেন, মান্দারুয়া গ্রামের সরাজ মিয়ার স্ত্রী জয়বানু ও ছেলে তপন মিয়া ওই শশ্মানঘাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নবজাতকটি তাদের চোখে পড়ে। উঁচু শ্মশানঘাটটির চারদিকে পানি দিয়ে ঘেরা। আশপাশে কোনো লোকজন না দেখায় তারা নবজাতকটি নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে এলাকার লোকজন নবজাতকটির ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টি সবার নজরে আসে।
সমাজসেবা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘নবজাতক শিশুটি মেয়ে। সম্পূর্ণ সুস্থ আছে বলে জেনেছি। রাত ১১টার পর্যন্ত নবজাতকটির মা-বাবার সন্ধান মেলেনি। এলাকার মানুষের ধারণা, লোক-লজ্জার ভয়ে কেউ হয়তো নির্জন জায়গায় নবজাতকটি ফেলে গেছে। তবে সরাজ মিয়ার পরিবার তাকে নিজেদের কাছে রেখে সেবা করছে। কৌটার দুধ খাওয়াচ্ছে। বুধবার সকালে গিয়ে নবজাতকটিকে দেখে তার লালন-পালনের বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হবে। কেউ দাবিদার না পেলে সরাজ মিয়ার পরিবার নবজাতকটিকে লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়মানুযায়ী নবজাতকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেন জানান এই কর্মকর্তা।

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে শ্মশানঘাট থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে গাগলাজুর ইউনিয়নের গাগলাজুর গ্রামের চৌরাপাড়া শ্মশানঘাট থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুল তালুকদার। নবজাতকটির বয়স এক বা দুই দিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এলাকাবাসী জানান, এলাকার কেউই হয়তো নির্জন জায়গায় নবজাতকটি ফেলে গেছে। তবে সময়মতো খুঁজে পাওয়ায় বেঁচে গেছে। না হলে কোনো বন্যপ্রাণী নবজাতকটিকে খেয়ে ফেলত।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুল তালুকদার বলেন, মান্দারুয়া গ্রামের সরাজ মিয়ার স্ত্রী জয়বানু ও ছেলে তপন মিয়া ওই শশ্মানঘাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নবজাতকটি তাদের চোখে পড়ে। উঁচু শ্মশানঘাটটির চারদিকে পানি দিয়ে ঘেরা। আশপাশে কোনো লোকজন না দেখায় তারা নবজাতকটি নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। পরে এলাকার লোকজন নবজাতকটির ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টি সবার নজরে আসে।
সমাজসেবা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘নবজাতক শিশুটি মেয়ে। সম্পূর্ণ সুস্থ আছে বলে জেনেছি। রাত ১১টার পর্যন্ত নবজাতকটির মা-বাবার সন্ধান মেলেনি। এলাকার মানুষের ধারণা, লোক-লজ্জার ভয়ে কেউ হয়তো নির্জন জায়গায় নবজাতকটি ফেলে গেছে। তবে সরাজ মিয়ার পরিবার তাকে নিজেদের কাছে রেখে সেবা করছে। কৌটার দুধ খাওয়াচ্ছে। বুধবার সকালে গিয়ে নবজাতকটিকে দেখে তার লালন-পালনের বিষয়ে করণীয় ঠিক করা হবে। কেউ দাবিদার না পেলে সরাজ মিয়ার পরিবার নবজাতকটিকে লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়মানুযায়ী নবজাতকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেন জানান এই কর্মকর্তা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে