নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার আনন্দপুর আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনও মো. আবুল হাসেম অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. দেলোয়ার হোসেনকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
গত ১০ নভেম্বর ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠনে বিভিন্ন অনিয়ম এনে ছাত্র অভিভাবক আহসানুল কবির ইউএনও বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৬ অক্টোবর ভোটের মাধ্যমে আনন্দপুর আলিম মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য, শিক্ষক প্রতিনিধি, দাতা সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নির্বাচিত হয়। পরে তাঁদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন স্থানীয় লিয়াকত আলী। এই নির্বাচনের ভোটার তালিকায় মোট ৪৯৭ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে তিন অভিভাবক সদস্য বেশ কিছুদিন আগেই মারা গেছেন। এ ছাড়া ওই মাদ্রাসায় কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে না এমন আরও ৪০-৪৫ জনকে অভিভাবক সদস্য হিসেবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন বলেন, ‘অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে ভোটার তালিকায় নাম থাকা এক-দুই জন অভিভাবক মারা গেছেন। সেটা ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় খেয়াল করা হয়নি।’
কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসেম বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. দেলোয়ার হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তদন্ত কমিটি গঠনের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘দ্রুত তদন্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার আনন্দপুর আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মৃত ব্যক্তিদের ভোট দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইউএনও মো. আবুল হাসেম অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. দেলোয়ার হোসেনকে দায়িত্ব দিয়েছেন।
গত ১০ নভেম্বর ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠনে বিভিন্ন অনিয়ম এনে ছাত্র অভিভাবক আহসানুল কবির ইউএনও বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৬ অক্টোবর ভোটের মাধ্যমে আনন্দপুর আলিম মাদ্রাসার অভিভাবক সদস্য, শিক্ষক প্রতিনিধি, দাতা সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নির্বাচিত হয়। পরে তাঁদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কমিটির সভাপতি নির্বাচন করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন স্থানীয় লিয়াকত আলী। এই নির্বাচনের ভোটার তালিকায় মোট ৪৯৭ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে তিন অভিভাবক সদস্য বেশ কিছুদিন আগেই মারা গেছেন। এ ছাড়া ওই মাদ্রাসায় কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে না এমন আরও ৪০-৪৫ জনকে অভিভাবক সদস্য হিসেবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মতিন বলেন, ‘অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে ভোটার তালিকায় নাম থাকা এক-দুই জন অভিভাবক মারা গেছেন। সেটা ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় খেয়াল করা হয়নি।’
কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হাসেম বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. দেলোয়ার হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তদন্ত কমিটি গঠনের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘দ্রুত তদন্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে