বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

‘ব্যর্থতাই সফলতার মূল চাবি কাঠি’ এই কথাটার বাস্তব প্রমাণ নিজ জীবনে ঘটিয়েছেন মো. আইয়ুব আলী। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বারবার স্বল্প ভোটে পরাজিত হলেও একবারও বিন্দুমাত্র আত্মবিশ্বাস কমেনি তাঁর। তাই টানা চারবার পরাজিত হওয়ার পরও পঞ্চমবার চেষ্টা করার শক্তি পেয়েছেন তিনি। নিজের প্রতি প্রবল আত্মবিশ্বাস তাঁকে শেষ পর্যন্ত জয়ী হতে সহায়তা করেছে। তাই পাঁচবারের চেষ্টায় গত বৃহস্পতিবার পাশ করেছেন তিনি।
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে জয়ী হয়েছেন মো. আইয়ুব আলী। ওই ওয়ার্ডে মোট তিনজন প্রার্থী মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মোরগ প্রতীকে মেম্বার পদে লড়ে ৩৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আইয়ুব আলী।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৩৫৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান মাত্র ১১ টি।
স্থানীয়রা জানান, আইয়ুব আলী খুবই আত্মবিশ্বাসী মানুষ। পরপর চারবার ফেল করেও থেমে যাননি। চেষ্টা করলে তা বিফল যায় না, লেগে থাকলে একদিন সফল হওয়া যায়। আইয়ুব আলীকে দেখে এটি সবার শেখা দরকার।
আইয়ুব আলীর ভাতিজা মো. রোমান মিয়া বলেন, এর আগে চারবার নির্বাচনে হেরেও ভেঙে পড়েননি। তিনি জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের সেবা করতে চান। এই স্বপ্ন থেকেই বারবার নির্বাচন করে গেছেন। এবার তার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
এ বিষয়ে আইয়ুব আলীর স্ত্রী রুপালী আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী বারবার নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বেশ আর্থিক ক্ষতির মুখে পরে। তবু আমি প্রতিবারই থাকে আত্মবিশ্বাস না হারানোর জন্য ভরসা দিয়ে গেছি এবং এটাও বলেছি যে একদিন না একদিন জনগণ ঠিকই তোমাকে ভোট দিবে। অবশেষে পাঁচবারে এসে আমার স্বামীর মনের আশা পূরণ হলো।’
নবনির্বাচিত মেম্বার মো. আইয়ুব আলী বলেন, ‘আত্মবিশ্বাস ছিল একদিন পাশ করব। তবে আগের নির্বাচনগুলোতে মাত্র ৪-৫ ভোটে হেরেছিলাম। জনগণ এবার আমাকে জয়ী করেছে। তাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকব।’

‘ব্যর্থতাই সফলতার মূল চাবি কাঠি’ এই কথাটার বাস্তব প্রমাণ নিজ জীবনে ঘটিয়েছেন মো. আইয়ুব আলী। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বারবার স্বল্প ভোটে পরাজিত হলেও একবারও বিন্দুমাত্র আত্মবিশ্বাস কমেনি তাঁর। তাই টানা চারবার পরাজিত হওয়ার পরও পঞ্চমবার চেষ্টা করার শক্তি পেয়েছেন তিনি। নিজের প্রতি প্রবল আত্মবিশ্বাস তাঁকে শেষ পর্যন্ত জয়ী হতে সহায়তা করেছে। তাই পাঁচবারের চেষ্টায় গত বৃহস্পতিবার পাশ করেছেন তিনি।
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার পদে জয়ী হয়েছেন মো. আইয়ুব আলী। ওই ওয়ার্ডে মোট তিনজন প্রার্থী মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মোরগ প্রতীকে মেম্বার পদে লড়ে ৩৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন আইয়ুব আলী।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৩৫৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান মাত্র ১১ টি।
স্থানীয়রা জানান, আইয়ুব আলী খুবই আত্মবিশ্বাসী মানুষ। পরপর চারবার ফেল করেও থেমে যাননি। চেষ্টা করলে তা বিফল যায় না, লেগে থাকলে একদিন সফল হওয়া যায়। আইয়ুব আলীকে দেখে এটি সবার শেখা দরকার।
আইয়ুব আলীর ভাতিজা মো. রোমান মিয়া বলেন, এর আগে চারবার নির্বাচনে হেরেও ভেঙে পড়েননি। তিনি জনপ্রতিনিধি হয়ে মানুষের সেবা করতে চান। এই স্বপ্ন থেকেই বারবার নির্বাচন করে গেছেন। এবার তার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
এ বিষয়ে আইয়ুব আলীর স্ত্রী রুপালী আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী বারবার নির্বাচনে পরাজিত হয়ে বেশ আর্থিক ক্ষতির মুখে পরে। তবু আমি প্রতিবারই থাকে আত্মবিশ্বাস না হারানোর জন্য ভরসা দিয়ে গেছি এবং এটাও বলেছি যে একদিন না একদিন জনগণ ঠিকই তোমাকে ভোট দিবে। অবশেষে পাঁচবারে এসে আমার স্বামীর মনের আশা পূরণ হলো।’
নবনির্বাচিত মেম্বার মো. আইয়ুব আলী বলেন, ‘আত্মবিশ্বাস ছিল একদিন পাশ করব। তবে আগের নির্বাচনগুলোতে মাত্র ৪-৫ ভোটে হেরেছিলাম। জনগণ এবার আমাকে জয়ী করেছে। তাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকব।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে