নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে কংস নদে ধানবোঝাই নৌকাডুবিতে রেজাউল ইসলাম ওরফে শিরমনি (৩০) নামের এক শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের উত্তর দৌলতপুর বালু ঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার বেলা ২টা পর্যন্ত তাঁর খোঁজ মেলেনি।
শিরমনি পার্শ্ববর্তী জেলা সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের উসমান গণির ছেলে। তিনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।
আজ বেলা ২টার দিকে নৌকাডুবির বিষয়টির সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের ময়মনসিংহ স্টেশনের ডুবুরি দলের লিডার জমিয়ত আলী। তিনি বলেন, ‘খবর পেয়ে সকাল পৌনে ৯টার দিকে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছি। দুই দফা নৌকার ভেতরে গিয়ে খোঁজ করে শিরমনিকে পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলছে।’
নৌকা থেকে বেঁচে যাওয়া শ্রমিক ও পুলিশ থেকে জানা গেছে, নৌকায় মাঝিসহ মোট পাঁচজন ছিলেন। ঘাটে বাঁধা ছিল নৌকাটি। রাত ৩টার দিকে নৌকার তলা বিকট শব্দে ফেটে গিয়ে দ্রুত তলিয়ে যায়। এতে ঘুমন্ত চারজন নৌকা থেকে বেরিয়ে সাঁতরে তীরে উঠলেও শিরমনি নৌকার ভেতরে আটকা পড়েন।
ঘটনাস্থলে থাকা মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক পিন্টু চন্দ্র দে বলেন, ‘স্টিল বডির নৌকাটিতে ২৫০ বস্তায় ৪৫৬ মণ ধান ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় দিরাই থেকে নৌকাটি ধান নিয়ে এসে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর ঘাটে ভেড়ে। পরে রাত ৩টার দিকে বিকট শব্দে তলা ফেটে ডুবে যায় নৌকাটি।’
নৌকা থেকে বেঁচে যাওয়া শ্রমিক সেলিম মিয়া বলেন, ‘রাতে বৃষ্টি থাকায় আমরা ভেতরে ঘুমাচ্ছিলাম। ৩টার দিকে বিকট শব্দ হয়। শব্দে ঘুম ভেঙে যায়, দেখি নৌকা তলিয়ে যাচ্ছে। তখন যে যার মতো পাড়ে তাড়াহুড়ো করে উঠেছে। তীরে উঠে দেখি শিরমনি নেই।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছাব্বির আহম্মেদ আকুঞ্জি বলেন, ‘খবর পেয়ে আজ সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিসহ নৌকাটি উদ্ধারে ময়মনসিংহ থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে কংস নদে ধানবোঝাই নৌকাডুবিতে রেজাউল ইসলাম ওরফে শিরমনি (৩০) নামের এক শ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের উত্তর দৌলতপুর বালু ঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আজ মঙ্গলবার বেলা ২টা পর্যন্ত তাঁর খোঁজ মেলেনি।
শিরমনি পার্শ্ববর্তী জেলা সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মাছিমপুর গ্রামের উসমান গণির ছেলে। তিনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।
আজ বেলা ২টার দিকে নৌকাডুবির বিষয়টির সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের ময়মনসিংহ স্টেশনের ডুবুরি দলের লিডার জমিয়ত আলী। তিনি বলেন, ‘খবর পেয়ে সকাল পৌনে ৯টার দিকে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছি। দুই দফা নৌকার ভেতরে গিয়ে খোঁজ করে শিরমনিকে পাওয়া যায়নি। উদ্ধার অভিযান চলছে।’
নৌকা থেকে বেঁচে যাওয়া শ্রমিক ও পুলিশ থেকে জানা গেছে, নৌকায় মাঝিসহ মোট পাঁচজন ছিলেন। ঘাটে বাঁধা ছিল নৌকাটি। রাত ৩টার দিকে নৌকার তলা বিকট শব্দে ফেটে গিয়ে দ্রুত তলিয়ে যায়। এতে ঘুমন্ত চারজন নৌকা থেকে বেরিয়ে সাঁতরে তীরে উঠলেও শিরমনি নৌকার ভেতরে আটকা পড়েন।
ঘটনাস্থলে থাকা মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক পিন্টু চন্দ্র দে বলেন, ‘স্টিল বডির নৌকাটিতে ২৫০ বস্তায় ৪৫৬ মণ ধান ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় দিরাই থেকে নৌকাটি ধান নিয়ে এসে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর ঘাটে ভেড়ে। পরে রাত ৩টার দিকে বিকট শব্দে তলা ফেটে ডুবে যায় নৌকাটি।’
নৌকা থেকে বেঁচে যাওয়া শ্রমিক সেলিম মিয়া বলেন, ‘রাতে বৃষ্টি থাকায় আমরা ভেতরে ঘুমাচ্ছিলাম। ৩টার দিকে বিকট শব্দ হয়। শব্দে ঘুম ভেঙে যায়, দেখি নৌকা তলিয়ে যাচ্ছে। তখন যে যার মতো পাড়ে তাড়াহুড়ো করে উঠেছে। তীরে উঠে দেখি শিরমনি নেই।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছাব্বির আহম্মেদ আকুঞ্জি বলেন, ‘খবর পেয়ে আজ সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিসহ নৌকাটি উদ্ধারে ময়মনসিংহ থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে