বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের কদম দেউলি কমিউনিটি ক্লিনিক ২০১১ সালে তৈরি হয়। ক্লিনিক তৈরির সময় ঠিকাদার বিদ্যুৎ এর জন্য আবেদন করেন। তখন বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন বিদ্যুতের খুঁটি ও সার্ভিস তার লাগিয়ে দিয়ে যায়। কিন্তু সার্ভিস তার লাগানোর নয় বছর পরও দেওয়া হয়নি বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা। ফলে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
কদম দেউলি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নোবেল চন্দ্র সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ' ২০১২ সালে কদম দেউলি কমিউনিটি ক্লিনিকটির কার্যক্রম শুরু হয়। আমি ক্লিনিকটিতে ২০১৩ সালে যোগদান করি। আমি যোগদানের পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া জন্য আবেদন করি। এত বছর চলে গেলেও বিদ্যুৎ সংযোগ আমরা পায়নি। এরই মধ্যে ২০১৪ সালে ক্লিনিকের পানি সরবরাহের জন্য কেনা মোটরটিও চুরি হয়ে যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় আরও একবার ক্লিনিকের চেয়ার টেবিল চুরি হয়ে যায়। ক্লিনিকটিতে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন সেবা গ্রহণ করেন। এই ক্লিনিকের সেবার আওতায় আছেন ছয় হাজার মানুষ। তাই সেবা নিতে আশা শিশু, গর্ভবতী সহসাধারণ মানুষেরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন। এ ছাড়া আমরা যারা সেবা দেই তারাও গরমের কারণে অস্বস্তি বোধ করি। পাশাপাশি ক্লিনিকে বিদ্যুৎ না থাকায় দাপ্তরিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে।'
এই ক্লিনিকে নিয়মিত সেবা নিতে আসা রহিমা আক্তার বলেন, 'এই ক্লিনিকে বিদ্যুৎ নাই। তাই চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়ি। কেউ বাথরুমে গেলে পানি ব্যবহার করতে পারে না, পানি খাইতেও পারি না। যদি বিদ্যুৎ আইসা যাইত, তাইলে অনেক উপকার হতো।'
এ বিষয়ে দেউলি গ্রামের অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী রিদয় বলেন, 'ক্লিনিকটিতে বিদ্যুতের খুঁটি ও সার্ভিস তার লাগানোর পর অনেক দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন সংযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা আশা করি নতুন ইউএনও দ্রুত এই সমস্যাটার সমাধান করবেন।'
কদম দেউলি গ্রামের বাসিন্দা ও বারহাট্টা সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি এমদাদুল হক মিলন আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'ক্লিনিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য আমরা এলাকাবাসীরা অনেক চেষ্টা করেছি।'
বারহাট্টা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, 'এটা উপজেলা প্রশাসন দেখবে। আর উপজেলা প্রশাসন বলেছে এটা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দেখবে। এসব করেই সময় গেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ আর দেওয়া হয়নি। এখন আমার পক্ষ থেকে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিনীত অনুরোধ, তিনি যেন ছয় হাজার মানুষের কষ্ট লাগবে সাহায্য করেন।'
কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি বিষয়টি জানার জন্য বারহাট্টা পল্লি বিদ্যুৎ এর ইঞ্জিনিয়ার ধর্মেন্দু শেখর এর নম্বরে ফোন করা হলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস, এম মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকটিতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। আমি যত দ্রুত সম্ভব ক্লিনিকটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করব।'

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের কদম দেউলি কমিউনিটি ক্লিনিক ২০১১ সালে তৈরি হয়। ক্লিনিক তৈরির সময় ঠিকাদার বিদ্যুৎ এর জন্য আবেদন করেন। তখন বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন বিদ্যুতের খুঁটি ও সার্ভিস তার লাগিয়ে দিয়ে যায়। কিন্তু সার্ভিস তার লাগানোর নয় বছর পরও দেওয়া হয়নি বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা। ফলে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
কদম দেউলি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নোবেল চন্দ্র সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ' ২০১২ সালে কদম দেউলি কমিউনিটি ক্লিনিকটির কার্যক্রম শুরু হয়। আমি ক্লিনিকটিতে ২০১৩ সালে যোগদান করি। আমি যোগদানের পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া জন্য আবেদন করি। এত বছর চলে গেলেও বিদ্যুৎ সংযোগ আমরা পায়নি। এরই মধ্যে ২০১৪ সালে ক্লিনিকের পানি সরবরাহের জন্য কেনা মোটরটিও চুরি হয়ে যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় আরও একবার ক্লিনিকের চেয়ার টেবিল চুরি হয়ে যায়। ক্লিনিকটিতে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন সেবা গ্রহণ করেন। এই ক্লিনিকের সেবার আওতায় আছেন ছয় হাজার মানুষ। তাই সেবা নিতে আশা শিশু, গর্ভবতী সহসাধারণ মানুষেরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন। এ ছাড়া আমরা যারা সেবা দেই তারাও গরমের কারণে অস্বস্তি বোধ করি। পাশাপাশি ক্লিনিকে বিদ্যুৎ না থাকায় দাপ্তরিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে।'
এই ক্লিনিকে নিয়মিত সেবা নিতে আসা রহিমা আক্তার বলেন, 'এই ক্লিনিকে বিদ্যুৎ নাই। তাই চিকিৎসা সেবা নিতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়ি। কেউ বাথরুমে গেলে পানি ব্যবহার করতে পারে না, পানি খাইতেও পারি না। যদি বিদ্যুৎ আইসা যাইত, তাইলে অনেক উপকার হতো।'
এ বিষয়ে দেউলি গ্রামের অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী রিদয় বলেন, 'ক্লিনিকটিতে বিদ্যুতের খুঁটি ও সার্ভিস তার লাগানোর পর অনেক দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন সংযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা আশা করি নতুন ইউএনও দ্রুত এই সমস্যাটার সমাধান করবেন।'
কদম দেউলি গ্রামের বাসিন্দা ও বারহাট্টা সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি এমদাদুল হক মিলন আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'ক্লিনিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য আমরা এলাকাবাসীরা অনেক চেষ্টা করেছি।'
বারহাট্টা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, 'এটা উপজেলা প্রশাসন দেখবে। আর উপজেলা প্রশাসন বলেছে এটা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দেখবে। এসব করেই সময় গেছে। বিদ্যুৎ সংযোগ আর দেওয়া হয়নি। এখন আমার পক্ষ থেকে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিনীত অনুরোধ, তিনি যেন ছয় হাজার মানুষের কষ্ট লাগবে সাহায্য করেন।'
কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি বিষয়টি জানার জন্য বারহাট্টা পল্লি বিদ্যুৎ এর ইঞ্জিনিয়ার ধর্মেন্দু শেখর এর নম্বরে ফোন করা হলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস, এম মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, 'প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকটিতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। আমি যত দ্রুত সম্ভব ক্লিনিকটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার চেষ্টা করব।'

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে