নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে বজ্রপাতে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন।
নিহতরা হলেন উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সম্বর মিয়ার ছেলে নিজাম উদ্দিন (৩২), কৃষ্ণপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে কবীর মিয়া (৪৫) ও হায়াতপুর গ্রামের রাখাল সরকার (৬৬)। এ ছাড়া এ ঘটনায় উপজেলার রসুলপুর গ্রামের রানু মিয়া (৪৫) নামে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। হতাহতরা সবাই পেশায় কৃষক।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার রসুলপুর, কৃষ্ণপুর ও হায়াতপুর গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উজ্জ্বল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে বজ্রপাতে হতাহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকাশে মেঘ দেখে বিকেলে বাড়ির সামনে শুকাতে দেওয়া খড় জমা করছিলেন নিজাম উদ্দিন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত এসে পড়ে তাঁর শরীরে। এতে ঘটনাস্থলে নিজাম উদ্দিন নিহত হন। এ ঘটনায় পাশে থাকা রানু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে রানু মিয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদিকে একই উপজেলার ছায়ার হাওরে বজ্রপাতের ঘটনায় কবীর মিয়া নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে পাঠানো হলে পথেই মারা যান।
এ ছাড়া বিকেলে উপজেলার হায়াতপুরে বজ্রপাতে মারা যান রাখাল সরকার নামে আরেক কৃষক নিহত হয়েছেন। তিনি বাড়ির সামনের হাওর থেকে গরু আনার জন্য গিয়েছিলেন। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মকবুল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে বজ্রপাতে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন।
নিহতরা হলেন উপজেলার রসুলপুর গ্রামের সম্বর মিয়ার ছেলে নিজাম উদ্দিন (৩২), কৃষ্ণপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে কবীর মিয়া (৪৫) ও হায়াতপুর গ্রামের রাখাল সরকার (৬৬)। এ ছাড়া এ ঘটনায় উপজেলার রসুলপুর গ্রামের রানু মিয়া (৪৫) নামে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। হতাহতরা সবাই পেশায় কৃষক।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার রসুলপুর, কৃষ্ণপুর ও হায়াতপুর গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উজ্জ্বল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে বজ্রপাতে হতাহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকাশে মেঘ দেখে বিকেলে বাড়ির সামনে শুকাতে দেওয়া খড় জমা করছিলেন নিজাম উদ্দিন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত এসে পড়ে তাঁর শরীরে। এতে ঘটনাস্থলে নিজাম উদ্দিন নিহত হন। এ ঘটনায় পাশে থাকা রানু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে রানু মিয়াকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদিকে একই উপজেলার ছায়ার হাওরে বজ্রপাতের ঘটনায় কবীর মিয়া নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে পাঠানো হলে পথেই মারা যান।
এ ছাড়া বিকেলে উপজেলার হায়াতপুরে বজ্রপাতে মারা যান রাখাল সরকার নামে আরেক কৃষক নিহত হয়েছেন। তিনি বাড়ির সামনের হাওর থেকে গরু আনার জন্য গিয়েছিলেন। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. মকবুল হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে