নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় শ্বশুরবাড়িতে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় শাশুড়িসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে উপজেলার বামনগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফরিদ মিয়া (২৭) উপজেলার বামনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। আর গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ফরিদ মিয়ার শাশুড়ি আনোয়ারা খাতুন (৪৫), শ্যালিকা উম্মে কুলসুম (১৯) ও কুলসুমের স্বামী সায়েদ আলী (২২)। তাঁরা একই গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদ মিয়া দুই বছর আগে প্রতিবেশী মৃত সিদ্দিকের মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে বিয়ে করেন। জীবিকার জন্য কুমিল্লা একটি ইটের ভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। সেখানে কর্মরত অবস্থায় শাশুড়ি আনোয়ারার বাড়িতে একটি সোলার প্যানেল লাগিয়ে দেন।
এদিকে কয়েক দিন আগে বাড়ি এসে ফরিদ মিয়া জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রী পাঁচ মাস বয়সী ছেলেসন্তান নিয়ে অন্য একজনের সঙ্গে ঢাকায় চলে গেছে। সে জন্য গতকাল সকালে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে নিজের দেওয়া সোলার প্যানেল নিয়ে আসতে চাইলে শাশুড়ি ও অন্যরা বাধা দেন।
এ নিয়ে ফরিদ মিয়াকে তাঁরা মারধর করেন। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে ফরিদ মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় আজ সকালে নিহত ফরিদের মা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে ফরিদের শাশুড়ি আনোয়ারা খাতুন, শ্যালিকা উম্মে কুলসুম, তাঁর স্বামী সায়েদ আলী ও প্রতিবেশী মো. সেলিম মিয়াসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দু-তিনজনকে আসামি করা হয়।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আটক তিনজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে পলাতক আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় শ্বশুরবাড়িতে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় শাশুড়িসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে উপজেলার বামনগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফরিদ মিয়া (২৭) উপজেলার বামনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। আর গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ফরিদ মিয়ার শাশুড়ি আনোয়ারা খাতুন (৪৫), শ্যালিকা উম্মে কুলসুম (১৯) ও কুলসুমের স্বামী সায়েদ আলী (২২)। তাঁরা একই গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদ মিয়া দুই বছর আগে প্রতিবেশী মৃত সিদ্দিকের মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে বিয়ে করেন। জীবিকার জন্য কুমিল্লা একটি ইটের ভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। সেখানে কর্মরত অবস্থায় শাশুড়ি আনোয়ারার বাড়িতে একটি সোলার প্যানেল লাগিয়ে দেন।
এদিকে কয়েক দিন আগে বাড়ি এসে ফরিদ মিয়া জানতে পারেন, তাঁর স্ত্রী পাঁচ মাস বয়সী ছেলেসন্তান নিয়ে অন্য একজনের সঙ্গে ঢাকায় চলে গেছে। সে জন্য গতকাল সকালে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে নিজের দেওয়া সোলার প্যানেল নিয়ে আসতে চাইলে শাশুড়ি ও অন্যরা বাধা দেন।
এ নিয়ে ফরিদ মিয়াকে তাঁরা মারধর করেন। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে ফরিদ মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় আজ সকালে নিহত ফরিদের মা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে ফরিদের শাশুড়ি আনোয়ারা খাতুন, শ্যালিকা উম্মে কুলসুম, তাঁর স্বামী সায়েদ আলী ও প্রতিবেশী মো. সেলিম মিয়াসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দু-তিনজনকে আসামি করা হয়।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আটক তিনজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এদিকে পলাতক আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ভালুকায় মহাসড়কের পাশে কাগজের কার্টন থেকে এক ছেলে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে হাইওয়ে পুলিশ। আজ রোববার সন্ধ্যার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের হাজির বাজার এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১ মিনিট আগে
পুরান ঢাকার ভাটিখানা এলাকা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে একটি মেস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
মাদারীপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের ঘটকচর এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
একের পর এক বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের। এবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে এক শিক্ষকের টাঙানো ব্যানার খুলে নিজের ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করেন রাকসুর এই নেতা।
২ ঘণ্টা আগে